জামালপুরে গ্রাহকের দেড় হাজার কোটি টাকা লোপাট
জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিভিন্ন সমবায় সমিতিতে আমানত রাখা অর্থ ফেরতের দাবিতে আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) আন্দোলনকারীরা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এর আগেও দেড় হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত উদ্ধারের দাবিতে ভুক্তভোগীরা উপজেলা প্রশাসন ঘেরাও, বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন। সবশেষ মঙ্গলবার সকাল থেকে ‘মাদারগঞ্জে বিভিন্ন সমবায় সমিতিতে আমানতকৃত অর্থ উদ্ধার আন্দোলন কমিটি’র ব্যানারে শত শত ভুক্তভোগী উপজেলা পরিষদ চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ঘেরাও করেন এবং বেশ কয়েকটি কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। এর ফলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়, ভূমি অফিসসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ভোগান্তিতে পড়েন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন দপ্তরে আসা সেবাপ্রার্থীদের অনেকেই সেবা না পেয়ে ফিরে যান। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে আল-আকাবা, শতদল, স্বদেশ, নবদীপ ও রংধনুসহ ২৩টি সমবায় সমিতি গ্রাহকদের কা
জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিভিন্ন সমবায় সমিতিতে আমানত রাখা অর্থ ফেরতের দাবিতে আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) আন্দোলনকারীরা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
এর আগেও দেড় হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত উদ্ধারের দাবিতে ভুক্তভোগীরা উপজেলা প্রশাসন ঘেরাও, বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন।
সবশেষ মঙ্গলবার সকাল থেকে ‘মাদারগঞ্জে বিভিন্ন সমবায় সমিতিতে আমানতকৃত অর্থ উদ্ধার আন্দোলন কমিটি’র ব্যানারে শত শত ভুক্তভোগী উপজেলা পরিষদ চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ঘেরাও করেন এবং বেশ কয়েকটি কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন।
এর ফলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়, ভূমি অফিসসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ভোগান্তিতে পড়েন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন দপ্তরে আসা সেবাপ্রার্থীদের অনেকেই সেবা না পেয়ে ফিরে যান।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে আল-আকাবা, শতদল, স্বদেশ, নবদীপ ও রংধনুসহ ২৩টি সমবায় সমিতি গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে। পরে এসব সমিতির কর্তৃপক্ষ আমানতের টাকা ফেরত না দিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এতে হাজার হাজার পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সমিতিগুলোর কাছে দেড় হাজার কোটি টাকারও বেশি আমানত আটকে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও কোনো কার্যকর সমাধান না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নেমেছি।’
এসময় আন্দোলনকারীরা দ্রুত আমানতের অর্থ ফেরত নিশ্চিত করা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
এদিকে আন্দোলনের কারণে উপজেলা প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কল রিসিভ করেন। তবে প্রশ্ন করার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।
হৃদয় আহম্মেদ/এএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?