জামায়াত কর্মীকে ছুরিকাঘাতের পর হাতুড়িপেটা

ফরিদপুরের নগরকান্দায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থিত এক কর্মীকে ছুরিকাঘাত ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের কদমতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  আহত আলমগীর হোসেন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী বলে জানা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, একই এলাকার মিলন শেখ ও রাশেদ মোল্লা তাকে প্রথমে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে এবং পরে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত মিলন শেখ ও রাশেদ মোল্লা পূর্বে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য লাবু চৌধুরীর সমর্থক ছিলেন। তবে বর্তমানে তারা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়েছেন। পরে স্থানীয়রা আলমগীর হোসেনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহত আলমগীর হোসেন ও তার ভাই জাহাঙ্গীর জানান, ফরিদপুর-২ আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আকরাম আলীর ‘রিকশা’ প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়ি ফেরার পথে কদমতলী বাজার এলাকায় মিলন ও রাশেদ অতর্কিত হামলা চালায়। এ বিষয়ে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা আকরাম আলী বলেন, আমরা নির্বা

জামায়াত কর্মীকে ছুরিকাঘাতের পর হাতুড়িপেটা

ফরিদপুরের নগরকান্দায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থিত এক কর্মীকে ছুরিকাঘাত ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের কদমতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

আহত আলমগীর হোসেন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী বলে জানা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, একই এলাকার মিলন শেখ ও রাশেদ মোল্লা তাকে প্রথমে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে এবং পরে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত মিলন শেখ ও রাশেদ মোল্লা পূর্বে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য লাবু চৌধুরীর সমর্থক ছিলেন। তবে বর্তমানে তারা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়েছেন। পরে স্থানীয়রা আলমগীর হোসেনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আহত আলমগীর হোসেন ও তার ভাই জাহাঙ্গীর জানান, ফরিদপুর-২ আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আকরাম আলীর ‘রিকশা’ প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়ি ফেরার পথে কদমতলী বাজার এলাকায় মিলন ও রাশেদ অতর্কিত হামলা চালায়।

এ বিষয়ে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা আকরাম আলী বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনেই প্রচারণা চালাচ্ছিলাম। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীর ওপর হামলা করে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। আমি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ সাজানো। বিএনপির জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থনকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের নাটক সাজানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রসুল সামদানী বলেন, ঘটনাটি শুনার পর সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow