জামায়াতপ্রার্থী খালিদুজ্জামানের ভিডিও নিয়ে তোলপাড়, যা বলল আইএসপিআর

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা–১৭ আসনের  প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের একটি ভিডিও নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় এক মাস আগে ঘটে যাওয়া ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ভিডিও’র বিষয়টি আগেই মীমাংসিত হয়েছিল। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোমাধ্যমে এটি ছড়িয়ে পড়লে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়।  মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) দৈনিক আমাদের দেশের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  আইএসপিআরের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামি-উদ-দৌলা চৌধুরী বলেন, ভিডিওটি এক মাস আগের। এটি ঘটনার পরপরই বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে। জামায়াতের ওই প্রার্থী দুঃখ প্রকাশ করার পর আর কোনো জটিলতা ছিল না। জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি গত জানুয়ারি মাসের ৬ তারিখে ধারণ করা। এক মাস পর এটি আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই বিষয়টিকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে মন্তব্য করছেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওর কিছু অংশ নিয়ে নানা মন্তব্য, ব্যাখ্যা ও সমালোচনা করা হয়। তবে আইএসপিআরের দাবি, ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই উভয়

জামায়াতপ্রার্থী খালিদুজ্জামানের ভিডিও নিয়ে তোলপাড়, যা বলল আইএসপিআর

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা–১৭ আসনের  প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের একটি ভিডিও নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় এক মাস আগে ঘটে যাওয়া ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ভিডিও’র বিষয়টি আগেই মীমাংসিত হয়েছিল। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোমাধ্যমে এটি ছড়িয়ে পড়লে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়। 

মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) দৈনিক আমাদের দেশের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

আইএসপিআরের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামি-উদ-দৌলা চৌধুরী বলেন, ভিডিওটি এক মাস আগের। এটি ঘটনার পরপরই বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে। জামায়াতের ওই প্রার্থী দুঃখ প্রকাশ করার পর আর কোনো জটিলতা ছিল না।

জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি গত জানুয়ারি মাসের ৬ তারিখে ধারণ করা। এক মাস পর এটি আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই বিষয়টিকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে মন্তব্য করছেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওর কিছু অংশ নিয়ে নানা মন্তব্য, ব্যাখ্যা ও সমালোচনা করা হয়। তবে আইএসপিআরের দাবি, ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই উভয় পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটে এবং বিষয়টি সমাধান হয়।

এ বিষয়ে ডা. এস এম খালিদুজ্জামানও একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভিডিওটি এক মাস আগের এবং ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় প্রবেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট একটি ভুল বোঝাবুঝির ফল।

তিনি জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দায়িত্বরত সদস্যদের সঙ্গে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যার ফলে কিছু প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তবে বিষয়টি ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। এরপরও একটি স্বার্থান্বেষী মহল মীমাংসিত এই ঘটনাকে নতুন করে সামনে এনে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করছে বলে তিনি দাবি করেন।

ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ডা. খালিদুজ্জামান বলেন, ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক থাকবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow