জামায়াতের তিন শীর্ষ নেতার পরাজয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা। ইতোমধ্যে কয়েকটি আসনের বেসরকারি ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর তিনজন শীর্ষ নেতা পরাজিত হয়েছেন। পরাজিতদের মধ্যে দুজন উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে হেরেছেন, যদিও তাদের বিজয় নিয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ ছিল। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুযারি) রাতে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। আলোচিত পরাজিত প্রার্থীরা হলেন—জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল ও আইনজীবী শিশির মনির। বিএনপি প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে মিয়া গোলাম পরওয়ার হেরেছেন প্রায় তিন হাজার ভোটে। হামিদুর রহমান আযাদ পরাজিত হয়েছেন ২৮ হাজার ভোটে এবং শিশির মনিরের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজার ভোটে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত

জামায়াতের তিন শীর্ষ নেতার পরাজয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা। ইতোমধ্যে কয়েকটি আসনের বেসরকারি ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর তিনজন শীর্ষ নেতা পরাজিত হয়েছেন।

পরাজিতদের মধ্যে দুজন উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে হেরেছেন, যদিও তাদের বিজয় নিয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ ছিল।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুযারি) রাতে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

আলোচিত পরাজিত প্রার্থীরা হলেন—জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল ও আইনজীবী শিশির মনির।

বিএনপি প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে মিয়া গোলাম পরওয়ার হেরেছেন প্রায় তিন হাজার ভোটে। হামিদুর রহমান আযাদ পরাজিত হয়েছেন ২৮ হাজার ভোটে এবং শিশির মনিরের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজার ভোটে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

সকালে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে ভিড় বাড়ে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। ভোটাররা দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow