জার্মানিতে নববর্ষ উদযাপনে বহু হতাহত, গ্রেফতার ৪০০

নববর্ষ উদযাপনের সময় জার্মানিতে অন্তত দুইজন নিহত হয়েছে। এছাড়া ২৪ পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছে শতাধিক সাধারণ মানুষ। বিচ্ছিন্ন এসব ঘটনায় দেশটির বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার হয়েছে অন্তত ৪০০ জন। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। জানা গেছে, জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বিয়েলেফেল্ডে আতশবাজি ও পটকা ব্যবহারের সময় দুটি পৃথক ঘটনায় ১৮ বছর বয়সি দুইজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া শিশুসহ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সরকারের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী আহতদের সঠিক সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। তবে বার্লিনের মারৎসান এলাকার একটি হাসপাতাল জানিয়েছে, সেখানে অন্তত ২৫ জন আহতকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজন শিশু রয়েছে এবং অনেকের হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমনকি কারও কারও আঙুল বা হাতের অংশ কেটে ফেলতে হয়েছে। রাজধানী বার্লিন পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) গভীর রাত থেকে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ভোর পর্যন্ত প্রায় ৪০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বার্লিনসহ হামবুর্গ, ফ্রাঙ্কফুর্ট, লাইপজিগ ও মিউনিখসহ বিভিন্ন শহরে পুলিশ ও জরুরি সেবাকর্মীদের ওপর আ

জার্মানিতে নববর্ষ উদযাপনে বহু হতাহত, গ্রেফতার ৪০০

নববর্ষ উদযাপনের সময় জার্মানিতে অন্তত দুইজন নিহত হয়েছে। এছাড়া ২৪ পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছে শতাধিক সাধারণ মানুষ। বিচ্ছিন্ন এসব ঘটনায় দেশটির বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার হয়েছে অন্তত ৪০০ জন। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

জানা গেছে, জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বিয়েলেফেল্ডে আতশবাজি ও পটকা ব্যবহারের সময় দুটি পৃথক ঘটনায় ১৮ বছর বয়সি দুইজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া শিশুসহ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সরকারের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী আহতদের সঠিক সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। তবে বার্লিনের মারৎসান এলাকার একটি হাসপাতাল জানিয়েছে, সেখানে অন্তত ২৫ জন আহতকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজন শিশু রয়েছে এবং অনেকের হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমনকি কারও কারও আঙুল বা হাতের অংশ কেটে ফেলতে হয়েছে।

রাজধানী বার্লিন পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) গভীর রাত থেকে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ভোর পর্যন্ত প্রায় ৪০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বার্লিনসহ হামবুর্গ, ফ্রাঙ্কফুর্ট, লাইপজিগ ও মিউনিখসহ বিভিন্ন শহরে পুলিশ ও জরুরি সেবাকর্মীদের ওপর আতশবাজি ও রকেট নিক্ষেপ করা হয়।

এদিকে লাইপজিগ শহরে আতশবাজি ও বোতল ছুড়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার খবর পাওয়া গেছে। সেখানে বিক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা ব্যারিকেড তৈরি করে এবং ময়লার বিনে আগুন ধরিয়ে দেয়।

অন্যদিকে, পূর্বাঞ্চলীয় শহর এরফুর্টে একটি ঐতিহাসিক ভবনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। যা পরে পাশের আরও দুটি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। নববর্ষের রাতে ছোড়া একটি রকেট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow