জাল টাকার মামলায় হাজিরা দিতে এসে জাল নোটসহ ফের গ্রেপ্তার
বগুড়ায় জাল টাকার একটি মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে এসে সাড়ে চার লাখ টাকার বেশি মূল্যের জাল নোটসহ আবারও পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন রফিকুল ইসলাম (৪৭) নামে এক পেশাদার জাল টাকা কারবারি। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে জেলা জজ আদালত চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত রফিকুল ইসলাম নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার পারইল গ্রামের ছলিম উদ্দিনের ছেলে। এর আগেও তিনি জাল নোটসহ তিনবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ডিবি পুলিশ জানায়, দুপুর ১২টার দিকে আগে দায়ের হওয়া একটি জাল টাকার মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে আসেন রফিকুল ইসলাম। তার আইনজীবীর কক্ষে অবস্থান করছিলেন তিনি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে ১ হাজার টাকা মূল্যমানের ৪৫৩টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া জাল নোটের মোট মূল্য ৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। পুলিশ আরও জানায়, রফিকুল ইসলাম পেশাদার জাল নোট কারবারি। এর আগেও তিনি জাল নোটসহ তিনবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে জাল টাকা ও চেক জালিয়াতির অভিযোগে বিভিন্ন আদালতে মোট ৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। প্
বগুড়ায় জাল টাকার একটি মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে এসে সাড়ে চার লাখ টাকার বেশি মূল্যের জাল নোটসহ আবারও পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন রফিকুল ইসলাম (৪৭) নামে এক পেশাদার জাল টাকা কারবারি।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে জেলা জজ আদালত চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত রফিকুল ইসলাম নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার পারইল গ্রামের ছলিম উদ্দিনের ছেলে। এর আগেও তিনি জাল নোটসহ তিনবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
ডিবি পুলিশ জানায়, দুপুর ১২টার দিকে আগে দায়ের হওয়া একটি জাল টাকার মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে আসেন রফিকুল ইসলাম। তার আইনজীবীর কক্ষে অবস্থান করছিলেন তিনি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে ১ হাজার টাকা মূল্যমানের ৪৫৩টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া জাল নোটের মোট মূল্য ৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।
পুলিশ আরও জানায়, রফিকুল ইসলাম পেশাদার জাল নোট কারবারি। এর আগেও তিনি জাল নোটসহ তিনবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে জাল টাকা ও চেক জালিয়াতির অভিযোগে বিভিন্ন আদালতে মোট ৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রফিকুল দাবি করেন, আদালতে হাজিরা দিতে আসার সময় তার সঙ্গে থাকা অন্য এক ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ব্যাগটি তার কাছে রেখে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ইনচার্জ) ইকবাল বাহার জানান, জাল নোট উদ্ধারের ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কুদ্দুস বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় নতুন একটি মামলা করেছেন। উদ্ধার হওয়া জাল নোটের উৎস এবং এই চক্রে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?