জাল সনদধারী শিক্ষকদের ‘দুঃসংবাদ’ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জাল সনদধারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া এনটিআরসিএর মাধ্যমে সম্পন্ন এবং আর্থিক স্বচ্ছতা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান। সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া এনটিআরসিএর মাধ্যমে সম্পন্ন করার উদ্যোগ, আর্থিক স্বচ্ছতা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন, জাল সনদধারী শিক্ষক চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের র্যাংকিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’ এদিকে, শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি, ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম। তিনি আরও
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জাল সনদধারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া এনটিআরসিএর মাধ্যমে সম্পন্ন এবং আর্থিক স্বচ্ছতা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।
সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া এনটিআরসিএর মাধ্যমে সম্পন্ন করার উদ্যোগ, আর্থিক স্বচ্ছতা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন, জাল সনদধারী শিক্ষক চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের র্যাংকিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’
এদিকে, শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি, ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
তিনি আরও জানান, শিক্ষক স্বল্পতা দূর করতে শূন্য পদের তালিকা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থায় সুশাসন নিশ্চিত করতে ‘ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম’ চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে শিক্ষক উপস্থিতি ও পাঠদান কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ইমপ্যাক্ট ইভ্যালুয়েশন’ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
মন্ত্রী আরও বলেন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘অ্যাক্সিলারেটিং সেকেন্ডারি এডুকেশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতেও সরকার কাজ করছে।
What's Your Reaction?