জাল সনদে চাকরি, দুই শিক্ষক কারাগারে
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জাল সনদ ব্যবহার করে মাদ্রাসায় চাকরি নেওয়ার অভিযোগে দুই শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসার অভিযুক্ত দুই শিক্ষক আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। তবে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে প্রেরিত অভিযুক্তরা হলেন— মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক ও ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার তেলুয়ারী গ্রামের বাসিন্দা মো. অলি উল্লাহ (৪২) এবং একই মাদ্রাসার জুনিয়র শিক্ষক ও মনকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সুলতানা পারভীন (৪২)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসায় জাল সনদের মাধ্যমে প্রভাষক পদে অলি উল্লাহ (৪২) ও আবু সালেহ (৪৪) এবং জুনিয়র শিক্ষক পদে সুলতানা পারভীন (৪২) নিয়োগ পান। বিষয়টি জানতে পেরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এএমএম মহিবুল্লাহ ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর নেত্রকোনা আদালতে তাদের বিরুদ্ধে এজাহার করেন।
আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দুয়া থানায় মামলা রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী ওই দিনই মামলাটি রেকর্ড করা হয় এবং তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদাল
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জাল সনদ ব্যবহার করে মাদ্রাসায় চাকরি নেওয়ার অভিযোগে দুই শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসার অভিযুক্ত দুই শিক্ষক আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। তবে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে প্রেরিত অভিযুক্তরা হলেন— মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক ও ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার তেলুয়ারী গ্রামের বাসিন্দা মো. অলি উল্লাহ (৪২) এবং একই মাদ্রাসার জুনিয়র শিক্ষক ও মনকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সুলতানা পারভীন (৪২)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসায় জাল সনদের মাধ্যমে প্রভাষক পদে অলি উল্লাহ (৪২) ও আবু সালেহ (৪৪) এবং জুনিয়র শিক্ষক পদে সুলতানা পারভীন (৪২) নিয়োগ পান। বিষয়টি জানতে পেরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এএমএম মহিবুল্লাহ ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর নেত্রকোনা আদালতে তাদের বিরুদ্ধে এজাহার করেন।
আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দুয়া থানায় মামলা রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী ওই দিনই মামলাটি রেকর্ড করা হয় এবং তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
চলতি বছরের ৪ মার্চ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার অলি উল্লাহ ও সুলতানা পারভীন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অভিযুক্তদের জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট নুরুল আলম জানান, জাল সনদের চাকরি একটি গর্হিত অন্যায় কাজ। এ কারণেই আদালত তাদের আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।