জালিয়াতি করে সরকারি চাকরি, ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত
জালিয়াতির মাধ্যমে স্নাতক পরীক্ষার অবতীর্ণ সনদ পাবলিক সার্ভিস কমিশনে (পিএসসি) দাখিল করে বিসিএস প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই মামলার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানিয়েছেন। দুদক জানায়, চাকরি নেওয়া কর্মকর্তারা হলেন ৩৮তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডার সঞ্জয় দাস (রেজিস্ট্রেশন নম্বর-০৮২৯৪৭), ৪১তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার সুকান্ত কুন্ডু (রেজিস্ট্রেশন নম্বর-১১০৬৬২৯৬) এবং ৩৮তম বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডার আবু সালেহ মো. মুসা (রেজিস্ট্রেশন নম্বর-০৮২৮১৪)। জানা গেছে, এরই মধ্যে পিএসসি’র তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ওই প্রতিষ্ঠানের সুপারিশের আলোকে মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, জালিয়াতির মাধ্যমে স্নাতক পরীক্ষার অবতীর্ণ সনদ প্রস্তুতপূর্বক পাবলিক সার্ভিস কমিশনে তা দাখিল করে বিসিএসে আবেদন করেন অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে সনদ যাচাই করে দেখা যায় যে, অবতীর্ণ সনদটি জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি কর
জালিয়াতির মাধ্যমে স্নাতক পরীক্ষার অবতীর্ণ সনদ পাবলিক সার্ভিস কমিশনে (পিএসসি) দাখিল করে বিসিএস প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই মামলার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানিয়েছেন।
দুদক জানায়, চাকরি নেওয়া কর্মকর্তারা হলেন ৩৮তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডার সঞ্জয় দাস (রেজিস্ট্রেশন নম্বর-০৮২৯৪৭), ৪১তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার সুকান্ত কুন্ডু (রেজিস্ট্রেশন নম্বর-১১০৬৬২৯৬) এবং ৩৮তম বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডার আবু সালেহ মো. মুসা (রেজিস্ট্রেশন নম্বর-০৮২৮১৪)।
জানা গেছে, এরই মধ্যে পিএসসি’র তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ওই প্রতিষ্ঠানের সুপারিশের আলোকে মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, জালিয়াতির মাধ্যমে স্নাতক পরীক্ষার অবতীর্ণ সনদ প্রস্তুতপূর্বক পাবলিক সার্ভিস কমিশনে তা দাখিল করে বিসিএসে আবেদন করেন অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে সনদ যাচাই করে দেখা যায় যে, অবতীর্ণ সনদটি জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা। উক্ত অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে দুদক বিধিমালা, ২০০৭ এর ১০(চ) বিধির আলোকে মামলা রুজু করার জন্য কমিশন থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই মামলা তিনটি করা হবে বলে জানা গেছে।
এসএম/এমএমকে
What's Your Reaction?