জিও ব্যাগ লুটের হিড়িক, তীর রক্ষা প্রকল্প ঝুঁকিতে

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার এখলাসপুর লঞ্চঘাট এলাকার দক্ষিণ পাশে মেঘনা নদীর তীর রক্ষায় স্থাপিত জিও ব্যাগ (বালুভর্তি বড় আকারের বস্তা) লুটের ঘটনায় পুরো প্রকল্পটি এখন হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের একটি অংশ এসব জিও ব্যাগ কেটে ভেতরের বালু ফেলে দিয়ে খালি বস্তা নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে স্থানীয়রা নদীর তীরে ফেলা জিও ব্যাগ কেটে বালু বের করে খালি বস্তা সংগ্রহ করছেন। এতে নদীভাঙন প্রতিরোধে গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পটির কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে বাড়ির আঙিনায় পানি জমে যায়। সেই পানি প্রতিরোধে ব্যবহার করার জন্য এসব বস্তা নিয়ে যাচ্ছে। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জিও ব্যাগগুলো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকায় তা কাজে লাগাচ্ছেন। এখলাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী সেলিম সাহেদ জানান, বিষয়টি জেনেছেন। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া

জিও ব্যাগ লুটের হিড়িক, তীর রক্ষা প্রকল্প ঝুঁকিতে

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার এখলাসপুর লঞ্চঘাট এলাকার দক্ষিণ পাশে মেঘনা নদীর তীর রক্ষায় স্থাপিত জিও ব্যাগ (বালুভর্তি বড় আকারের বস্তা) লুটের ঘটনায় পুরো প্রকল্পটি এখন হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের একটি অংশ এসব জিও ব্যাগ কেটে ভেতরের বালু ফেলে দিয়ে খালি বস্তা নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে স্থানীয়রা নদীর তীরে ফেলা জিও ব্যাগ কেটে বালু বের করে খালি বস্তা সংগ্রহ করছেন। এতে নদীভাঙন প্রতিরোধে গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পটির কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে বাড়ির আঙিনায় পানি জমে যায়। সেই পানি প্রতিরোধে ব্যবহার করার জন্য এসব বস্তা নিয়ে যাচ্ছে। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জিও ব্যাগগুলো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকায় তা কাজে লাগাচ্ছেন।

এখলাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী সেলিম সাহেদ জানান, বিষয়টি জেনেছেন। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, সে জন্য নজরদারি জোরদার করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শরীফুল ইসলাম/এএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow