জিওফ হার্স্টের আবেগঘন বার্তা: ‘উইন ইট ফর দ্য বয়েজ অব সিক্সটি সিক্স’

‘কেউ আমার চেয়ে বেশি খুশি হবে না যদি ইংল্যান্ড জিতে। টমাস টুখেলের দলের কাছে আহবান উইন ইট ফর দ্য বয়েজ অব সিক্সটি সিক্স।’ আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগে এমন আবেগঘন বার্তাটি দিয়েছেন ‘বয়েজ অব সিক্সটি সিক্স’-এর একজন জিওফ হার্স্ট। ইংল্যান্ডের ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়ন দলের একমাত্র জীবিত ফুটবলার তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ফুটবলার যিনি ফাইনালে হ্যাটট্রিক করে দলকে চ্যাম্পিয়ন করিয়েছেন। ৮৪ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি তার উত্তরসূরীদের উৎসাহ দেওয়ার জন্যই আবেগঘন এই বার্তা দিয়েছেন। হার্স্ট ১৯৬৬ সালের ওয়েস্ট জার্মানির বিপক্ষে ফাইনালে তার হ্যাটট্রিকেই ইংল্যান্ড ৪-২ গোলে জিতেছিল। সেই ঐতিহাসিক জয়ের ৬০ বছর পর জিওফ হার্স্ট একা বেঁচে আছেন। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘এটা খুব দুঃখের যে আমি একা বেঁচে আছি। দলের অন্য আর কেউ নেই। কিন্তু তারা সবাই চাইতো ইংল্যান্ড আবার চ্যাম্পিয়ন হোক।’ ১৯৬৬ সালের দলের একতা ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বর্তমান খেলোয়াড়দের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তোমরা পারবে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে আজকের লড়াইয়ে ইতিহাস গড়ো। ওই বিশ্বকাপের ফাইনালের চাপ ছিল অবিশ্বাস্য।

জিওফ হার্স্টের আবেগঘন বার্তা: ‘উইন ইট ফর দ্য বয়েজ অব সিক্সটি সিক্স’

‘কেউ আমার চেয়ে বেশি খুশি হবে না যদি ইংল্যান্ড জিতে। টমাস টুখেলের দলের কাছে আহবান উইন ইট ফর দ্য বয়েজ অব সিক্সটি সিক্স।’

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগে এমন আবেগঘন বার্তাটি দিয়েছেন ‘বয়েজ অব সিক্সটি সিক্স’-এর একজন জিওফ হার্স্ট। ইংল্যান্ডের ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়ন দলের একমাত্র জীবিত ফুটবলার তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ফুটবলার যিনি ফাইনালে হ্যাটট্রিক করে দলকে চ্যাম্পিয়ন করিয়েছেন।

৮৪ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি তার উত্তরসূরীদের উৎসাহ দেওয়ার জন্যই আবেগঘন এই বার্তা দিয়েছেন। হার্স্ট ১৯৬৬ সালের ওয়েস্ট জার্মানির বিপক্ষে ফাইনালে তার হ্যাটট্রিকেই ইংল্যান্ড ৪-২ গোলে জিতেছিল।

সেই ঐতিহাসিক জয়ের ৬০ বছর পর জিওফ হার্স্ট একা বেঁচে আছেন। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘এটা খুব দুঃখের যে আমি একা বেঁচে আছি। দলের অন্য আর কেউ নেই। কিন্তু তারা সবাই চাইতো ইংল্যান্ড আবার চ্যাম্পিয়ন হোক।’

১৯৬৬ সালের দলের একতা ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বর্তমান খেলোয়াড়দের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তোমরা পারবে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে আজকের লড়াইয়ে ইতিহাস গড়ো। ওই বিশ্বকাপের ফাইনালের চাপ ছিল অবিশ্বাস্য। তবে দলের ঐক্য আমাদের জিতিয়েছিল।’

বর্তমান ইংল্যান্ড দলের জুড বেলিংহ্যাম, হ্যারি কেইনদের প্রশংসা করে হার্স্ট বলেন, ‘তারা দারুণ ফর্মে আছেন। মেসির আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ফাইনালে যাওয়ার সামর্থ্য তাদের আছে। আমার প্রত্যাশা, ইংল্যান্ড ১৯৬৬ সালের পর আবার বিশ্বকাপ জিতবে।’

ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা বাঁচামরার ম্যাচের আগে হার্স্টের এই বার্তা ব্রিটিশ ফুটবল ভক্তদের মনে নতুন উদ্দীপনা জাগিয়েছে।

আরআই/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow