জিডি করতে গিয়ে লাঞ্ছিত কালবেলার সাংবাদিক

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানায় মোবাইল ফোন হারানোর সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গিয়ে লাঞ্ছিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার সাংবাদিক জাফর ইকবাল। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।  ভুক্তভোগী সাংবাদিক জাফর ইকবাল বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মোবাইল ফোন হারানোর বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে চিরিরবন্দর থানায় যাই। সেখানে প্রথমে কম্পিউটার অপারেটর মো. সেলিমের কাছে গেলে সেখান থেকে আমাকে ডিউটি অফিসার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. আখতারুজ্জামানের কাছে পাঠানো হয়। পরে তিনি আবার আমাকে কম্পিউটার অপারেটরের কাছে যেতে বলেন।  তিনি আরও বলেন, এভাবে কয়েক দফা ঘোরাঘুরির পর বিরক্ত হয়ে নিজের পরিচয় প্রদান করি। আখতারুজ্জামান আমার আইডি কার্ড দেখতে চান। আমি আইডি কার্ড প্রদর্শন করলে তিনি আমার আইডি কার্ড নিয়ে নেন ও সেটি তার কক্ষে নিয়ে রেখে দেন। এ সময় আমি বিষয়টি খানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আহসান হাবিবকে ফোন দিয়ে জানাই এবং অভিযোগ করি যে, আমাকে হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করছে। এ সময় এএসআই আশরাফুল ও এসআই জহুরুল হক

জিডি করতে গিয়ে লাঞ্ছিত কালবেলার সাংবাদিক
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানায় মোবাইল ফোন হারানোর সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গিয়ে লাঞ্ছিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার সাংবাদিক জাফর ইকবাল। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।  ভুক্তভোগী সাংবাদিক জাফর ইকবাল বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মোবাইল ফোন হারানোর বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে চিরিরবন্দর থানায় যাই। সেখানে প্রথমে কম্পিউটার অপারেটর মো. সেলিমের কাছে গেলে সেখান থেকে আমাকে ডিউটি অফিসার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. আখতারুজ্জামানের কাছে পাঠানো হয়। পরে তিনি আবার আমাকে কম্পিউটার অপারেটরের কাছে যেতে বলেন।  তিনি আরও বলেন, এভাবে কয়েক দফা ঘোরাঘুরির পর বিরক্ত হয়ে নিজের পরিচয় প্রদান করি। আখতারুজ্জামান আমার আইডি কার্ড দেখতে চান। আমি আইডি কার্ড প্রদর্শন করলে তিনি আমার আইডি কার্ড নিয়ে নেন ও সেটি তার কক্ষে নিয়ে রেখে দেন। এ সময় আমি বিষয়টি খানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আহসান হাবিবকে ফোন দিয়ে জানাই এবং অভিযোগ করি যে, আমাকে হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করছে। এ সময় এএসআই আশরাফুল ও এসআই জহুরুল হক এগিয়ে আসেন এবং কথোপকথনের একপর্যায়ে আখতারুজ্জামান এসে আমার শার্টের কলার ধরে আমাকে লকআপে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়।  ভুক্তভোগী বলেন, একজন সংবাদকর্মী হয়েও থানায় আগত লোকজনের সামনে আমাকে হয়রানি এবং লাঞ্ছিত হতে হয়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আমার সহকর্মী এবং প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জানাই। তাদের পরামর্শে পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছি। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল হালিম বলেন, খবর পেয়ে আমি চিরিরবন্দর থানায় আসি। পুলিশ ও সাংবাদিক দুজনের সঙ্গেই কথা বলেছি। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ওই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow