জিততে জিততে হেরে গেল নেপাল
তীরে এসে তরী ডুবল নেপালের। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আজ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ৪ রানে হেরে গেছে হিমালয়ের দেশটি। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৭ ওভারে ১৮৪ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। জবাবে ৬ উইকেটে ১৮০ রান করতে সক্ষম হয় নেপাল। অথচ, দুই দলের ব্যবধান বলা চলে আকাশ-পাতাল। কিন্তু এমন ম্যাচেই রোমাঞ্চের পারদ চরমে তুলে জিতেছে ইংলিশরা। একদম শেষ ওভারে দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ৫ রান দেন স্যাম কারান। তা না হলেই ম্যাচের চিত্রনাট্যটা বদলে যেত। শেষ ওভারে ১০ রানের সমীকরণ মেলাতে না পেরেই হেরেছে তুলনামূলক কম অভিজ্ঞতা সম্পন্ন দল নেপাল। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। দুই ওপেনার ফিল সল্ট এবং জস বাটলারের ওপেনিং জুটিতে রান আসে ৫। ২ বলে ১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান সল্ট।এরপর দলের হাল ধরেছেন জস বাটলার এবং তিনে নামা জ্যাকব বেথেল। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে এগিয়েছেন দুজন। ১৭ বলে ২৬ রান করে দলের ৪৩ রানের মাথাতে থেমেছেন বাটলার। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে গেছেন বেথেল। দারুণ সব শটে বের করেছেন র
তীরে এসে তরী ডুবল নেপালের। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আজ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ৪ রানে হেরে গেছে হিমালয়ের দেশটি। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৭ ওভারে ১৮৪ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। জবাবে ৬ উইকেটে ১৮০ রান করতে সক্ষম হয় নেপাল।
অথচ, দুই দলের ব্যবধান বলা চলে আকাশ-পাতাল। কিন্তু এমন ম্যাচেই রোমাঞ্চের পারদ চরমে তুলে জিতেছে ইংলিশরা। একদম শেষ ওভারে দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ৫ রান দেন স্যাম কারান। তা না হলেই ম্যাচের চিত্রনাট্যটা বদলে যেত। শেষ ওভারে ১০ রানের সমীকরণ মেলাতে না পেরেই হেরেছে তুলনামূলক কম অভিজ্ঞতা সম্পন্ন দল নেপাল।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। দুই ওপেনার ফিল সল্ট এবং জস বাটলারের ওপেনিং জুটিতে রান আসে ৫। ২ বলে ১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান সল্ট।এরপর দলের হাল ধরেছেন জস বাটলার এবং তিনে নামা জ্যাকব বেথেল। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে এগিয়েছেন দুজন। ১৭ বলে ২৬ রান করে দলের ৪৩ রানের মাথাতে থেমেছেন বাটলার। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে গেছেন বেথেল। দারুণ সব শটে বের করেছেন রান। পাওয়ারপ্লের ফায়দা লুটেছেন সুদে আসলে। ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে ৫৭ রান তোলে ইংল্যান্ড।
পাওয়ারপ্লে শেষেই বিদায় নেন চারে নামা টম ব্যান্টন। ৫ বলে ২ রান করে সাজঘরে ফিরে যান ব্যান্টন। এরপর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। বাউন্ডারির ফুলঝুরি ছুটিয়ে রান তুলেছেন বেথেল এবং ব্রুক। ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেন বেথেল। যদিও ফিফটির পর বেশি দূর আগাতে পারেননি। ৩৫ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলে দলের ১২৮ রানের মাথাতে থেমেছেন বেথেল।
এরপর ৮ বলে ২ রান করেন স্যাম কারান। শেষ দিকে ব্রুকও চালিয়েছেন তাণ্ডব। ছুঁয়ে ফেলেন ফিফটিও। শেষ আগের ওভারে আউট হওয়া হ্যারি ব্রুক ৩২ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলেছেন। শেষ ওভারে চার-ছকার ঝড় তোলেন উইল জ্যাকস। রকেটের গতিতে দলের বোর্ডে রান তুলেছেন তিনি।
নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় ইংল্যান্ড। শেষ ওভারে এসেছে ২১ রান, শেষ ৩ ওভারে ৪৫। ১৮ বলে ৩৯ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে টিকে ছিলেন জ্যাকস। ৪ ছক্কার সাথে মেরেছেন ১ চার। নেপালের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন দীপেন্দ্র সিং আইরে এবং নন্দন যাদব। ১টি করে উইকেট তুলেছেন সন্দ্বীপ লামিচানে এবং শের মালা।
জবাব দিতে নেমে কুশল ভুরটেলের ব্যাটে ভর করে ভালো শুরু পেয়ে যায় নেপাল। আসিফ শেখ তেমন একটা সুবিধা করতে পারেননি। ওপেনিং জুটিতে রান আসে ৩৭। ৯ বলে ৭ রান করে বিদায় নিয়েছেন আসিফ। কুশল এক প্রান্তে তাণ্ডব চালিয়েছেন। দলের ৪২ রানের মাথাতে ১৭ বলে ২৯ রান করে বিদায় নেন তিনি। ৪২ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারিয়ে ফেলে নেপাল। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান তোলে নেপাল।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর ক্রিজে জুটি বাঁধেন অধিনায়ক রোহিত পাউডেল এবং দীপেন্দ্র সিং আইরে। দুজনের কার্যকরী ব্যাটিংয়ে এগিয়েছে নেপালের ইনিংস। রোহিত কিছুটা দেখে খেললেও আইরে ছিলেন আগ্রাসী। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে ফিফটির খুব কাছে চলে যান আইরে। যদিও ফিফটিটা ছুঁতে পারেননি। ২৯ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে দলের ১২৪ রানের মাথাতে বিদায় নেন তিনি। আইরের বিদায়ের পরের ওভারেই ফিরেছেন রোহিত। ৩৪ বলে ৩৯ রান করেছেন তিনি।
এরপর আরিফ শেখ সুবিধা করতে পারেননি। ৮ বলে করেছেন ১০ রান। তবে ঝড় তোলেন লোকেশ বাম। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিতে থাকেন বাম। হাঁকিয়েছেন দারুণ কিছু চার-ছক্কা। শেষ ২ ওভারে দরকার ছিল ২৪ রান। ১৯তম ওভারে চলে আসে ১৪ রান। তবে আউট হয়েছেন গুলশান ঝা। শেষ ওভারে দরকার ১০ রান।
স্ট্রাইকে ফর্মের তুঙ্গে থাকা বাম। বোলিংয়ে স্যাম কারান। প্রথম বল ডট। পরের বলে ১ রান। ৪ বলে দরকার ৯ রান। পরের বলেও ১ রান। ৩ বলে দরকার ৮ রান। স্ট্রাইকে ফিরলেন বাম। পরের বলে আসে ২ রান। ২ বলে দরকার ৬ রান। পরের বল হয়েছে ডট। ফলে শেষ বলে নেপালের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৬ রান। শেষ বলে ১ রানের বেশি নিতে পারেনি নেপাল। ফলে ৪ রানে জয়লাভ করে ইংল্যান্ড।
ইংল্যান্ডের হয়ে ২ উইকেট নেন লিয়াম ডওসন। ১টি করে উইকেট শিকার করেছেন উইল জ্যাকস, স্যাম কারান, জফরা আর্চার এবং লুক উড। ব্যাট হাতে ১৮ বলে অপরাজিত ৩৯ রানের পাশাপাশি বল হাতে এক উইকেট নেওয়ার পুরস্কার হিসেবে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন ইংল্যান্ডের উইল জ্যাকস।
What's Your Reaction?