জিয়াউলের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হবে কি না, জানা যাবে আজ

গুম করে শতাধিক মানুষ খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশ আজ। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য রয়েছে। গত ৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল। এর আগে, গত ৮ জানুয়ারি জিয়াউল আহসান ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিলেন। এদিকে এ মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া ইকবাল করিম ভূঁইয়ার জবানবন্দির কিছু অংশ ট্রাইব্যুনালের কাছে তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান। জিয়াউলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউশনের দাবি, ২০০৯ সালে মেজর পদে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) গোয়েন্দা বিভাগে নিয়োগের পর জিয়াউল আহসান বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস

জিয়াউলের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হবে কি না, জানা যাবে আজ
গুম করে শতাধিক মানুষ খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশ আজ। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য রয়েছে। গত ৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল। এর আগে, গত ৮ জানুয়ারি জিয়াউল আহসান ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিলেন। এদিকে এ মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া ইকবাল করিম ভূঁইয়ার জবানবন্দির কিছু অংশ ট্রাইব্যুনালের কাছে তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান। জিয়াউলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউশনের দাবি, ২০০৯ সালে মেজর পদে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) গোয়েন্দা বিভাগে নিয়োগের পর জিয়াউল আহসান বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। এর ফলস্বরূপ ২০২৪ সালে মেজর জেনারেল হিসেবে বাধ্যতামূলক অবসর গ্রহণ পর্যন্ত তাকে আর কখনো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ফেরত যেতে হয়নি। অভিযোগে বলা হয়, প্রয়োজনীয় কোর্স ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং কোনো ব্যাটালিয়ন, ব্রিগেড বা ফরমেশন কমান্ডের অভিজ্ঞতা ছাড়াই তিনি মেজর জেনারেল পদে উন্নীত হন, যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্বের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক ও এডিজি (অপারেশন্স) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে অসংখ্য বলপূর্বক গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে তিনি সরাসরি অংশ নেন অথবা তার প্রত্যক্ষ নির্দেশ, অনুমোদন ও জ্ঞাতসারে এসব অপরাধ সংঘটিত হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গাজীপুরে তিনজন হত্যা, বরগুনার পাথরঘাটায় ৫০ জন হত্যা এবং সুন্দরবনে বনদস্যু দমনের নামে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে হত্যার তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে তিন শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow