জিরো অলিম্পিয়াডে বিশ্বমঞ্চে দ্বিতীয় বরিশালের তাওহীদ

আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে গোটা বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে টিএম তাওহীদ ইসলাম। সে (তাওহীদ) সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন তালুকদার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মোসাম্মৎ শাহনাজের জেষ্ঠ পুত্র। বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বড় কসবা গ্রামের কৃতি সন্তান টিএম তাওহীদ ইসলাম ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল প্রযুক্তি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ‘জিরো অলিম্পিয়াড সিজন-২ এ বাংলাদেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো মেধাবী শিক্ষার্থীসহ সর্বমোট ৯ হাজার ৩৩২ জন প্রতিযোগির মধ্যে টিএম তাওহীদ ইসলাম ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১৪ (জলজ জীবন সংরক্ষণ) বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। গত ১৩ জুন ঢাকার বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজিতে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত পর্বে ৯ হাজার ৩৩২ জন প্রতিযোগির মধ্য থেকে বাছাই হওয়া ৫১ জন প্রতিযোগির সঙ্গে লড়াই করে তিনি এ গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেছে। তাওহীদের এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত নয়; গেটা বাংলাদেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন তরুণ আন্তর্জাতিক

জিরো অলিম্পিয়াডে বিশ্বমঞ্চে দ্বিতীয় বরিশালের তাওহীদ

আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে গোটা বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে টিএম তাওহীদ ইসলাম। সে (তাওহীদ) সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন তালুকদার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মোসাম্মৎ শাহনাজের জেষ্ঠ পুত্র।

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বড় কসবা গ্রামের কৃতি সন্তান টিএম তাওহীদ ইসলাম ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল প্রযুক্তি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ‘জিরো অলিম্পিয়াড সিজন-২ এ বাংলাদেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো মেধাবী শিক্ষার্থীসহ সর্বমোট ৯ হাজার ৩৩২ জন প্রতিযোগির মধ্যে টিএম তাওহীদ ইসলাম ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১৪ (জলজ জীবন সংরক্ষণ) বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

গত ১৩ জুন ঢাকার বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজিতে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত পর্বে ৯ হাজার ৩৩২ জন প্রতিযোগির মধ্য থেকে বাছাই হওয়া ৫১ জন প্রতিযোগির সঙ্গে লড়াই করে তিনি এ গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেছে। তাওহীদের এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত নয়; গেটা বাংলাদেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন তরুণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের মেধা, যোগ্যতা ও সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রেখে প্রমাণ করেছে, সুযোগ ও পরিশ্রম থাকলে বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থীরা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেন।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে টিএম তাওহীদ ইসলাম বলেন, এই অর্জন আমাকে নতুন স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়েছে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অনেক গুণী ও সম্মানিত ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের জন্য আরও বড় পরিসরে কাজ করার অনুপ্রেরণা পেয়েছি।

পুরস্কার হিসেবে তিনি ক্রেস্ট, পদক, বই, মগসহ বিভিন্ন সম্মাননা সামগ্রী লাভ করেন। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে পূর্ণ বৃত্তি অর্জন করে আরও একটি অনন্য কৃতিত্বের নজির স্থাপন করেছেন। তাওহীদের এ সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে।

স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা বলছেন, গৌরনদীর মাটি আবারও প্রমাণ করেছে, মেধা ও অধ্যবসায় থাকলে বিশ্বজয় অসম্ভব নয়। তরুণ এই শিক্ষার্থীর অর্জন আগামী প্রজন্মকে বড় স্বপ্ন দেখতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের যোগ্যতা তুলে ধরতে অনুপ্রাণিত করবে বলেও তারা মনে করছেন।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)'র কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর বলেন, সাংবাদিক পুত্র টিএম তাওহীদ ইসলামের এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় অর্জনের মাধ্যমে সে দেশ ও জাতির জন্য গৌরব বয়ে আনবে। পাশাপাশি অন্যান্য মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহ যোগাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow