জিয়াউর রহমানের বাজেট ছিল গ্রাম-গঞ্জের মানুষের জন্য : মঈন খান
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বাজেট উঁচু তলার নয়, গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষের জন্য ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান তিনটি বাজেট দিয়েছিলেন। তার প্রণীত বাজেট ঢাকা শহরের উঁচু তলার মানুষের জন্য ছিল না। বাজেট ছিল গ্রাম-বাংলার সাধারণ মানুষের জন্য। সেই বাজেটের কারণে ধ্বংসপ্রায় বাংলাদেশের অর্থনীতি মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়িয়েছিল। মুক্তবাজার অর্থনীতি, গার্মেন্টস শিল্পের সূচনা, বিদেশে শ্রমিক পাঠিয়ে বৈদেশিক আয় শুরু করেন তিনি।’
শুক্রবার (১২ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের ইতিহাস ও রাষ্ট্রগঠনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে আব্দুল মঈন খান বলেন, “নিজের জীবন বাজি রেখে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তখন মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের দাবিদার আওয়ামী লীগ তখন কাপুরুষের মতো পালিয়ে গিয়েছিল। যুদ্ধ শেষে বিজয়ী হয়ে তিনি দেশে ফিরলে তাকে মুক্তিযুদ্
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বাজেট উঁচু তলার নয়, গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষের জন্য ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান তিনটি বাজেট দিয়েছিলেন। তার প্রণীত বাজেট ঢাকা শহরের উঁচু তলার মানুষের জন্য ছিল না। বাজেট ছিল গ্রাম-বাংলার সাধারণ মানুষের জন্য। সেই বাজেটের কারণে ধ্বংসপ্রায় বাংলাদেশের অর্থনীতি মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়িয়েছিল। মুক্তবাজার অর্থনীতি, গার্মেন্টস শিল্পের সূচনা, বিদেশে শ্রমিক পাঠিয়ে বৈদেশিক আয় শুরু করেন তিনি।’
শুক্রবার (১২ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের ইতিহাস ও রাষ্ট্রগঠনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে আব্দুল মঈন খান বলেন, “নিজের জীবন বাজি রেখে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তখন মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের দাবিদার আওয়ামী লীগ তখন কাপুরুষের মতো পালিয়ে গিয়েছিল। যুদ্ধ শেষে বিজয়ী হয়ে তিনি দেশে ফিরলে তাকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ ‘বীর উত্তম’ উপাধি দিয়েছিল। পরবর্তীতে জাতির আরেকটি ক্রান্তিকালে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেন জনগণ।”
প্রত্যেক নেতাকর্মীকে শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তার (জিয়াউর রহমান) আদর্শ অনুসরণ করতে পারলে বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে পারব আমরা। তার জীবনের আদর্শ হলো সত্যতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেম। মাত্র সাড়ে তিন বছরে জিয়াউর রহমান ধ্বংস প্রায় বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে সম্মানজনক জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তৎকালীন আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, শহীদ জিয়া বটমলেস বাসকেটকে সাকসেস কেসে পরিণত করেছেন।’
বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘১৯৭২-৭৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশের গণতন্ত্র কবরে পাঠিয়ে সংসদের ভেতরের মাত্র ১১ মিনিটে বাকশাল কায়েম করেছিল আওয়ামী লীগ। দেশে মানুষের বাকস্বাধীনতা, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছিল তারা। এক দলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করে বাংলাদেশ জন্মের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে দেশবাসীকে মুক্তি দিতে পুনরায় এসেছিলেন জিয়াউর রহমান।’
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের আধুনিক রাষ্ট্রের রূপান্তরের ইতিহাস রচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তাকে বাংলাদেশের জনগণ ভালোবেসে ‘রাখাল রাজা’ উপাধি দিয়েছিল। কারণ গ্রাম-গঞ্জে ঘুরে বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলেছিলেন। তিনি ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ সৃষ্টি করেছিলেন। নিজেকে একজন শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিতেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি চালু করে কৃষি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। সেই সময়ে বিদেশে খাদ্য রপ্তানি শুরু করেছিল বাংলাদেশ। এখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুনরায় খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছেন।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে পুনরায় বিশ্বের বুকে সম্মানজনক উচ্চতায় নিয়ে যাবেন বলেও বিশ্বাস করেন মঈন খান।