‘জুবাইদা রহমান আমাদের বড় আপা, উনি আসায় মেয়েরা উচ্ছ্বসিত’
ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮০ বছরপূর্তি উৎসবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের উপস্থিতি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস দিয়েছে। কারণ তিনিও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী। বিষয়টি স্মরণ করে অনেকে তাকে ‘বড় আপা’ সম্বোধন করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। ৭২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন রওশন রাকা। থাকতেন ডা. আলীম চৌধুরী ছাত্রীনিবাসে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজই কর্মরত। ডা. রওশন রাকা বলেন, ৮০ বছরপূর্তি উৎসবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এসেছিলেন। জুবাইদা রহমান একজন ডিএমসিয়ান, উনি আমাদের বড় আপা। তিনি আজকে এসেছিলেন বলেই আমাদের প্রোগ্রামটা আনন্দঘন হয়েছে। সবাই খুবই উচ্ছ্বসিত। বিশেষ করে আমরা মেয়েরা যারা আছি, তারা ডা. জুবাইদা রহমানের আগমনে খুবই উচ্ছ্বসিত এবং প্রাণবন্ত। ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা, ছবি: জাগো নিউজ তিনি বলেন, প্রতিবছরই ছোট পরিসরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী করা হয়। তবে এবারের আয়োজনটা খুবই জাঁকজমকপূর্ণ ছিল। অনেকটাই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো আয়োজন হয়েছে এবার। বৃষ্টিস্নাত দিনটিতে বাধা-বিঘ্ন থাকলেও উপভোগ্য ছিল। এককথ
ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮০ বছরপূর্তি উৎসবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের উপস্থিতি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস দিয়েছে। কারণ তিনিও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী। বিষয়টি স্মরণ করে অনেকে তাকে ‘বড় আপা’ সম্বোধন করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
৭২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন রওশন রাকা। থাকতেন ডা. আলীম চৌধুরী ছাত্রীনিবাসে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজই কর্মরত। ডা. রওশন রাকা বলেন, ৮০ বছরপূর্তি উৎসবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এসেছিলেন। জুবাইদা রহমান একজন ডিএমসিয়ান, উনি আমাদের বড় আপা। তিনি আজকে এসেছিলেন বলেই আমাদের প্রোগ্রামটা আনন্দঘন হয়েছে। সবাই খুবই উচ্ছ্বসিত। বিশেষ করে আমরা মেয়েরা যারা আছি, তারা ডা. জুবাইদা রহমানের আগমনে খুবই উচ্ছ্বসিত এবং প্রাণবন্ত।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা, ছবি: জাগো নিউজ
তিনি বলেন, প্রতিবছরই ছোট পরিসরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী করা হয়। তবে এবারের আয়োজনটা খুবই জাঁকজমকপূর্ণ ছিল। অনেকটাই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো আয়োজন হয়েছে এবার। বৃষ্টিস্নাত দিনটিতে বাধা-বিঘ্ন থাকলেও উপভোগ্য ছিল। এককথায় অনবদ্য আয়োজন হয়েছে।
ক্যাম্পাস জীবনের স্মৃতিচারণ করে ডা. রওশন রাকা বলেন, ক্যাম্পাস জীবনের অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। তবে হল লাইফের কথা বিশেষভাবে স্মরণ করতে চাই। পুরো সময়টাতে আমি আলিম হলে ছিলাম। দোতলায় দুই নম্বর রুমটাতে আমি থাকতাম। রুমটা আমার খুবই পছন্দের জায়গা ছিল। আমি সবসময় আমার কাছের মানুষদের বলি যে এটা আমার কাছে পাখির নীড়।
তিনি বলেন, স্টুডেন্ট লাইফে হলে থাকা, করিডরে হেঁটে বেড়ানো, বন্ধুদের সঙ্গে কলেজ ক্যান্টিনের আড্ডা দেওয়াসহ শত-সহস্র স্মৃতিতে আবেগ জড়িয়ে আছে। এ আবেগ, এ স্মৃতির কথা বলতে গেলে সারাদিনেও বলে শেষ করা যাবে না। এমন একটি আয়োজন করে সেই স্মৃতি নাড়িয়ে দেওয়ায় কর্তৃপক্ষকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
এদিকে, ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮০ বছরপূর্তি উৎসবে কলেজ ক্যাম্পাস সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে। পুরোনো স্মৃতি স্মরণ করে গল্পে-আড্ডায় যেমন সময় কেটেছে তাদের, তেমনি আগামী দিনে দেশের স্বাস্থ্যখাত কোন পথে হাঁটছে তা নিয়েও আলোচনা করতে দেখা যায় তাদের। দিনভর বৃষ্টির মধ্যেও ঢামেক ক্যাম্পাসে সরব উপস্থিতি চোখে পড়ে।
এএএইচ/এমএএইচ/
What's Your Reaction?
