রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের উপাচার্য ড. এস এম হাসান তালুকদার বলেছেন, চব্বিশের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের যে নবযাত্রা শুরু হয়েছে তা অপ্রতিরোধ্য এবং অদম্য। সারা দেশব্যাপী তরুণের জয়গান ধ্বনিত হচ্ছে এবং নতুন সমাজ বিনির্মাণের শপথ নিয়ে তরুণ সমাজ হাতে হাত রেখে কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩ এ তারুণ্যের উৎসবে তারুণ্যের উদ্ভাবনী ও উদ্যোক্তাদের জীবন এবং সফলতার গল্প নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. এস এম হাসান তালুকদার বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৬৩% মানুষের বয়স ৩৫ বছরের নিচে অর্থাৎ যুবশক্তির নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে সমৃদ্ধ এবং প্রগতিশীল। সেই উদ্যম আর প্রেরণাকে সঙ্গী করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর অংশগ্রহণে উদযাপিত হচ্ছে তারুণ্যের উৎসব। তরুণদের হাত ধরে যে জয়যাত্রার শুরু হয়েছে তা আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে নিয়ে চলুক সাফল্যের স্বর্ণ শিখরে। আগামীর সম্ভাবনাময় সমাজের কাণ্ডারি হয়ে তারুণ্যের শক্তি হোক আমাদের প্রধান অবলম্বন।
তারুণ্য উৎসব উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক লায়লা ফেরদৌসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান জান্নাতুল মাওয়া মুন, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান বিজন কুমার, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান নুসরাত জাহান, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ইয়াতসিংহ শুভ ও প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) নজরুল ইসলাম। আলোচনা সভা শেষে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সহযোগিতায় তারুণ্যের উৎসব ২০২৫-এর আয়োজন করেছে রবীন্দ বিশ্ববিদ্যালয়। বিকেল ৩টায় ২০২৪ এর জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম হাসান তালুকদার। এরপর মাসব্যাপী বিভিন্ন আয়োজনের অংশ হিসেবে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে তারুণ্যের মেলার শুভ উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।