জুলাই হত্যা মামলার আসামি আরিফকে গ্রেপ্তারের দাবি
নরসিংদীতে জুলাই হত্যা মামলার আসামি ও নুরালাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফ হোসেনকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে মাধবদী থানার নুরালাপুর ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসীর পক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মাধবদী কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নূরারাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা নাছির উদ্দিন ভূইয়া বলেন, আরিফ চেয়ারম্যান একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং চাঁদাবাজ। ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর তার মামা, মাধবদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও মাধবদী শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন মানিকের ছত্রছায়ায় আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে। তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পক্ষে গর্জে উঠে আরিফ হোসেন। এসময় সন্ত্রাসী বাহিনীর সহায়তায় প্রকাশ্যে অস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালায়। এসময় মাধবদীতে শাওন ও সুমন নামের দুই ছাত্রনেতা গুলিতে নিহত হন। দুই ছাত্র হত্যা মামলার আসামি হলেও প্রকাশ্যে ঘুরাফেরাসহ এলাকায় অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। নাছির উদ্দিন বলেন, এলাকায় বিভিন্নজনকে হুমকি ধ
নরসিংদীতে জুলাই হত্যা মামলার আসামি ও নুরালাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফ হোসেনকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে মাধবদী থানার নুরালাপুর ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসীর পক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মাধবদী কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নূরারাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা নাছির উদ্দিন ভূইয়া বলেন, আরিফ চেয়ারম্যান একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং চাঁদাবাজ। ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর তার মামা, মাধবদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও মাধবদী শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন মানিকের ছত্রছায়ায় আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পক্ষে গর্জে উঠে আরিফ হোসেন। এসময় সন্ত্রাসী বাহিনীর সহায়তায় প্রকাশ্যে অস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালায়। এসময় মাধবদীতে শাওন ও সুমন নামের দুই ছাত্রনেতা গুলিতে নিহত হন। দুই ছাত্র হত্যা মামলার আসামি হলেও প্রকাশ্যে ঘুরাফেরাসহ এলাকায় অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
নাছির উদ্দিন বলেন, এলাকায় বিভিন্নজনকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিলেন আরিফ হোসেন। সরকার তাকে ইউপি চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করলে আদালতের নির্দেশ নিয়ে পুনরায় তিনি পরিষদের ক্ষমতায় বসে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠার পাঁয়তারা করছে। তবে ইউনিয়নবাসী খুন, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসে অভিযুক্ত আরিফ হোসেনকে প্রত্যাখ্যানসহ তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে।
What's Your Reaction?