জুলাই হত্যা মামলায় কারাগারে সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান

জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরায় আসাদুল্লাহ নামে একজনকে গুলি করে হত্যা মামলায় সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (৩ জুন) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শামীম জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বাসা থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই শাহীন মাহমুদ তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে জুলাই আন্দোলন চলাকালে উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন আসাদুল্লাহ। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। পরে তার স্ত্রী তুরাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। দীর্ঘ অনুসন

জুলাই হত্যা মামলায় কারাগারে সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান

জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরায় আসাদুল্লাহ নামে একজনকে গুলি করে হত্যা মামলায় সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৩ জুন) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শামীম জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার গভীর রাতে উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বাসা থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

বুধবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই শাহীন মাহমুদ তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে জুলাই আন্দোলন চলাকালে উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন আসাদুল্লাহ। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি।

পরে তার স্ত্রী তুরাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর ১১ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা আসাদুল্লাহর মরদেহ শনাক্ত করেন।

এ ঘটনার পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এমডিএএ/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow