জেমকন পরিচালক ইনামের ১০ ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ
অস্বাভাবিক লেনদেন ও আয়ের সঙ্গে অসঙ্গত সম্পদের অভিযোগে জেমকন গ্রুপের পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদের ১০টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়। বুধবার (১৫ এপ্রিল) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, কাজী ইনাম আহমেদ অবৈধ উপায়ে ৩২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বেশি সম্পদ অর্জন করেছেন, যা তার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়া তার নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৭৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকার লেনদেনকে ‘অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব অর্থ বিভিন্ন উপায়ে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে অর্থপাচারের চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। আবেদনে আরও বলা হয়, মামলাটি তদন্তাধীন অবস্থায় আসামি তার অস্থাবর সম্পদ সরিয়ে ফেলতে
অস্বাভাবিক লেনদেন ও আয়ের সঙ্গে অসঙ্গত সম্পদের অভিযোগে জেমকন গ্রুপের পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদের ১০টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, কাজী ইনাম আহমেদ অবৈধ উপায়ে ৩২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বেশি সম্পদ অর্জন করেছেন, যা তার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়া তার নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৭৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকার লেনদেনকে ‘অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, এসব অর্থ বিভিন্ন উপায়ে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে অর্থপাচারের চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, মামলাটি তদন্তাধীন অবস্থায় আসামি তার অস্থাবর সম্পদ সরিয়ে ফেলতে কিংবা মালিকানা পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশত্যাগের চেষ্টা করতে পারেন—এমন আশঙ্কা রয়েছে। এতে তদন্ত প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা জরুরি হয়ে পড়ে।
এর আগে একই মামলায় আদালত কাজী ইনাম আহমেদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।
এমডিএএ/এমকেআর
What's Your Reaction?