জেলখানায় বন্দি অবস্থায় ডাকাতির পরিকল্পনা, মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ১৩
নাটোরের বড়াইগ্রামে নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড উপকেন্দ্রে দুর্ধর্ষ ডাকাতির রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। জেলখানায় বন্দি অবস্থায় এই ডাকাতির পরিকল্পনা করা হয়। এ ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ১৩ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি লুট হওয়া মালামাল ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে নাটোর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, গত ২৬ মার্চ রাতে বড়াইগ্রামের বনপাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড উপকেন্দ্রে ২০-২৫ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল হানা দেয়। তারা কর্মরত ৪ জন নিরাপত্তা প্রহরীকে মারধর করে হাত-পা ও চোখ বেঁধে জিম্মি করে রাখে। এরপর প্রায় ১ কোটি ৪২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ও ব্যাটারি ট্রাকে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাতরা। এ ঘটনায় সিগনি ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক অনিক কুমার বিশ্বাস বড়াইগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ যৌথভাবে নাটোর, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের ১৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
প্
নাটোরের বড়াইগ্রামে নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড উপকেন্দ্রে দুর্ধর্ষ ডাকাতির রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। জেলখানায় বন্দি অবস্থায় এই ডাকাতির পরিকল্পনা করা হয়। এ ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ১৩ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি লুট হওয়া মালামাল ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে নাটোর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, গত ২৬ মার্চ রাতে বড়াইগ্রামের বনপাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড উপকেন্দ্রে ২০-২৫ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল হানা দেয়। তারা কর্মরত ৪ জন নিরাপত্তা প্রহরীকে মারধর করে হাত-পা ও চোখ বেঁধে জিম্মি করে রাখে। এরপর প্রায় ১ কোটি ৪২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ও ব্যাটারি ট্রাকে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাতরা। এ ঘটনায় সিগনি ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক অনিক কুমার বিশ্বাস বড়াইগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ যৌথভাবে নাটোর, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের ১৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া রুহুল আমিন ও সৈকত নামের দুই ব্যক্তি এই ডাকাতির মূল সমন্বয়ক। চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, তারা জেলখানায় বন্দি থাকা অবস্থায় এই ডাকাতির পরিকল্পনা করেছিল।
অভিযানে ডাকাত দলের কাছ থেকে ৩৫০টি ব্যাটারি সেল, ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি ট্রাক, ১০টি মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই পেশাদার অপরাধী এবং তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং লুট হওয়া অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।