‘জেলে খালেদা জিয়াকে নির্যাতন করা হয়েছে, ন্যূনতম চিকিৎসা দেওয়া হয়নি’

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, ‘স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার যে আন্তরিকতা, সেটা আজকে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। ১৬ বছর শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে, প্রহসনের বিচারের তাকে জেলে পাঠিয়েছে, জেলে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। ন্যূনতম চিকিৎসা তাকে দেওয়া হয়নি। তাকে স্লো পয়েজিনিংয়ের মাধ্যমে হত্যার অপচেষ্টা করা হয়েছিল….। সেই নির্যাতনের দায় আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা কখনো এড়াতে পারবে না। অবশ্যই শেখ হাসিনাকে জবাব দিতে হবে।’ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে শেরেবাংলা নগরে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ ও পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে  তিনি এসব কথা বলেন। এসময় নব্বইয়ের ডাকসুর ভিপি ও সেই সময়ে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘আমরা নব্বইয়ের সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতারা আজকে এখানে দেশনেত্রী আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি। তার কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করেছি। তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করেছি।’ বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনী তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আজকে কী প্রমাণ হয়েছে? তা

‘জেলে খালেদা জিয়াকে নির্যাতন করা হয়েছে, ন্যূনতম চিকিৎসা দেওয়া হয়নি’

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, ‘স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার যে আন্তরিকতা, সেটা আজকে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। ১৬ বছর শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে, প্রহসনের বিচারের তাকে জেলে পাঠিয়েছে, জেলে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। ন্যূনতম চিকিৎসা তাকে দেওয়া হয়নি। তাকে স্লো পয়েজিনিংয়ের মাধ্যমে হত্যার অপচেষ্টা করা হয়েছিল….। সেই নির্যাতনের দায় আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা কখনো এড়াতে পারবে না। অবশ্যই শেখ হাসিনাকে জবাব দিতে হবে।’

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে শেরেবাংলা নগরে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ ও পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে  তিনি এসব কথা বলেন। এসময় নব্বইয়ের ডাকসুর ভিপি ও সেই সময়ে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘আমরা নব্বইয়ের সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতারা আজকে এখানে দেশনেত্রী আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি। তার কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করেছি। তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করেছি।’

বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনী তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আজকে কী প্রমাণ হয়েছে? তার জানাজায় যে কোটি মানুষের উপস্থিতি, এটাই প্রমাণ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন ঐক্যের প্রতীক, গণতন্ত্রের প্রতীক, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী। তিনি ছিলেন মাদার অব ডেমোক্রেসি.. গণতন্ত্রের মা।’

ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, “তিনি (খালেদা জিয়া) বলেছিলেন, ‘আমার ঠিকানা বাংলাদেশ… আমি বিদেশে যাব না। বিদেশে আমার কোনো ঠিকানা নেই।’ যার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের জ্যেষ্ঠ ছেলে তারেক রহমানকে কীভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, তা আপনারা জানেন। তাকে নির্বাসিত জীবন কাটাতে হয়েছে। আজকে উনি দেশে ফিরেছেন। দেখেছেন কী অভূতপূর্ব সাড়া জেগেছে। জনগণ তাকে বরণ করেছে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ।”

 এ সময় সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতাদের মধ্যে হাবিবুর রহমান হাবিব, জহির উদ্দিন স্বপন, খায়রুল কবির খোকন, নাজিম উদ্দিন আলম, খন্দকার লুৎফর রহমান, নাজমুল হক প্রধান, মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow