জেলের জালে উঠল বিশালাকৃতির দুই কোরাল

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিশালাকৃতির দুটি কোরাল মাছ। সোমবার (৬ এপ্রিল) আলীপুর মৎস্য বন্দরে মাছ দুটি নিয়ে আসা হলে স্থানীয় উৎসুক জনতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ৩৫ কেজি ওজনের এই মাছ দুটি শেষ পর্যন্ত ৫২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। জানা গেছে, ‘মেসার্স সাগর ফিশ’ এর রুহুল মাঝির ফিশিং বোট নিয়ে জেলেরা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান। সাগর উত্তাল থাকায় বেশ কয়েক দিন তেমন মাছ না পেলেও জাল তোলার শেষ মুহূর্তে দানবীয় আকৃতির এই কোরাল দুটির দেখা মেলে। মাছ দুটির সম্মিলিত ওজন প্রায় ৩৫ কেজি, যার মধ্যে বড়টির ওজনই ১৮ কেজির বেশি। আলীপুর মৎস্য বন্দরে বিক্রির জন্য তোলা হলে পাইকারি ক্রেতাদের মধ্যে মাছ দুটি নিয়ে রীতিমতো কাড়াকাড়ি শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী রহমান খান ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে মোট ৫২ হাজার ৫০০ টাকায় মাছ দুটি কিনে নেন। আড়তদারি কমিশনসহ আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে বড় লাভের আশা করছেন এই ব্যবসায়ী। ফিশিংবোটের মাঝি রুহুল বলেন, কয়েক দিন সাগর খুব উত্তাল ছিল, জালে মাছ পড়ছিল না। শেষমেশ এই বড় দুটি কোরাল ধরা পড়ায় সব কষ্ট ভুলে গেছি। আরেক জে

জেলের জালে উঠল বিশালাকৃতির দুই কোরাল
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিশালাকৃতির দুটি কোরাল মাছ। সোমবার (৬ এপ্রিল) আলীপুর মৎস্য বন্দরে মাছ দুটি নিয়ে আসা হলে স্থানীয় উৎসুক জনতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ৩৫ কেজি ওজনের এই মাছ দুটি শেষ পর্যন্ত ৫২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। জানা গেছে, ‘মেসার্স সাগর ফিশ’ এর রুহুল মাঝির ফিশিং বোট নিয়ে জেলেরা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান। সাগর উত্তাল থাকায় বেশ কয়েক দিন তেমন মাছ না পেলেও জাল তোলার শেষ মুহূর্তে দানবীয় আকৃতির এই কোরাল দুটির দেখা মেলে। মাছ দুটির সম্মিলিত ওজন প্রায় ৩৫ কেজি, যার মধ্যে বড়টির ওজনই ১৮ কেজির বেশি। আলীপুর মৎস্য বন্দরে বিক্রির জন্য তোলা হলে পাইকারি ক্রেতাদের মধ্যে মাছ দুটি নিয়ে রীতিমতো কাড়াকাড়ি শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী রহমান খান ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে মোট ৫২ হাজার ৫০০ টাকায় মাছ দুটি কিনে নেন। আড়তদারি কমিশনসহ আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে বড় লাভের আশা করছেন এই ব্যবসায়ী। ফিশিংবোটের মাঝি রুহুল বলেন, কয়েক দিন সাগর খুব উত্তাল ছিল, জালে মাছ পড়ছিল না। শেষমেশ এই বড় দুটি কোরাল ধরা পড়ায় সব কষ্ট ভুলে গেছি। আরেক জেলে হাশেম আলী জানান, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সমুদ্রে যাওয়া এখন ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ। তবে মাঝে মাঝে এমন বড় মাছ ধরা পড়লে আগের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, গভীর সমুদ্রে এ ধরনের বড় আকৃতির কোরাল ধরা পড়া সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক। আমরা জেলেদের সবসময় টেকসই ও আইন মেনে মাছ আহরণে উদ্বুদ্ধ করছি। সরকারি বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের জীবিকা সচল রাখার চেষ্টা চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow