জোহরের নামাজ শেষে দলবেঁধে ভোট দিতে এলেন তারা

জোহরের নামাজ শেষে একসঙ্গে ভোট দিতে এসেছেন তারা। মসজিদ কমিটির সদস্য ও মুসল্লিরাও রয়েছেন তাদের মধ্যে। বলছেন, ঈদের উৎসবের মতো আনন্দ নিয়ে ভোট দিচ্ছেন তারা। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দুইটার দিকে রাজধানীর উত্তরা হাই স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে এমন চিত্র দেখা গেছে। কেন্দ্রের বাইরের মূল সড়কে দেখা গেছে, দলে বেঁধে আসছিলেন তারা। মনে হচ্ছিল যেন অনেকটাই মিছিল। সবার পরনে পাঞ্জাবি ও মাথায় টুপি। কথা হলো এই দলের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সঙ্গে। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, আমরা উত্তরা ৭ নং পার্ক সেন্ট্রাল মসজিদে নামাজ শেষে এসেছি। এখানে মসজিদ কমিটির লোক আছে। অধিকাংশই আমরা বন্ধুবান্ধব। তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর মানে স্বাচ্ছন্দ্যভাবে ভোট দেওয়ার পরিবেশ পেয়েছি। এজন্য আমরা উত্তরার কল্যাণ সমিতি ও মসজিদ কমিটি একত্রেই নামাজ পড়ি, আমরা একত্রে থাকি, আমরা বন্ধুবান্ধব—এই জোহরের নামাজ পড়ে সবাই একসাথে আসলাম ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে। তিনি আরও বলেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা অনেকেই ভোট দিয়ে ফেলেছে। যারা দেয়নি তারা দেবে। নামাজ শেষে একসঙ্গে ১৪ থেকে ১৫ জন ভোট দিতে এসেছেন জানিয়ে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বলেন

জোহরের নামাজ শেষে দলবেঁধে ভোট দিতে এলেন তারা

জোহরের নামাজ শেষে একসঙ্গে ভোট দিতে এসেছেন তারা। মসজিদ কমিটির সদস্য ও মুসল্লিরাও রয়েছেন তাদের মধ্যে। বলছেন, ঈদের উৎসবের মতো আনন্দ নিয়ে ভোট দিচ্ছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দুইটার দিকে রাজধানীর উত্তরা হাই স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে এমন চিত্র দেখা গেছে। কেন্দ্রের বাইরের মূল সড়কে দেখা গেছে, দলে বেঁধে আসছিলেন তারা। মনে হচ্ছিল যেন অনেকটাই মিছিল। সবার পরনে পাঞ্জাবি ও মাথায় টুপি।

কথা হলো এই দলের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সঙ্গে। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, আমরা উত্তরা ৭ নং পার্ক সেন্ট্রাল মসজিদে নামাজ শেষে এসেছি। এখানে মসজিদ কমিটির লোক আছে। অধিকাংশই আমরা বন্ধুবান্ধব।

তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর মানে স্বাচ্ছন্দ্যভাবে ভোট দেওয়ার পরিবেশ পেয়েছি। এজন্য আমরা উত্তরার কল্যাণ সমিতি ও মসজিদ কমিটি একত্রেই নামাজ পড়ি, আমরা একত্রে থাকি, আমরা বন্ধুবান্ধব—এই জোহরের নামাজ পড়ে সবাই একসাথে আসলাম ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা অনেকেই ভোট দিয়ে ফেলেছে। যারা দেয়নি তারা দেবে।

নামাজ শেষে একসঙ্গে ১৪ থেকে ১৫ জন ভোট দিতে এসেছেন জানিয়ে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বলেন, ভোট দেওয়ার অনুভূতি খুবই ভালো। এবারের ভোটের পরিবেশ মানে, এই ১৫ বছর পর মনে হচ্ছে মানুষ একটা ঈদের আনন্দ ভোগ করছে।

ভোটার উপস্থিতি প্রসঙ্গে উত্তরার এই বাসিন্দা বলেন, আমাদের এখানে খুব ভালো উপস্থিতি। সবাই একবারে আনন্দ সহকারে ভোট দিতে আসছে।

ইএইচটি/এসএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow