জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও বিশ্ববাজারের অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশের অভ্যন্তরে এখনই জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর আভাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বুধবার (১৫ এপ্রিল) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। প্রফেসর ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বিএনপি সরকার সবসময় সংকটকে শক্তিতে রূপান্তর করার চেষ্টা করেছে এবং তা সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে নয়। আন্তর্জাতিক মহলের পক্ষ থেকে ভর্তুকি কমিয়ে জ্বালানি মূল্য সমন্বয়ের নানা চাপ থাকলেও কৃষি খাতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা, কলকারখানা সচল রাখা এবং অসহনীয় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এখনই দাম বাড়ানোর পথে হাঁটার চিন্তা সরকারের নেই। উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ১২ দিনের মাথায় একদিকে যেমন ভঙ্গুর অর্থনীতির উত্তরাধিকার পেয়েছে, অন্যদিকে যোগ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য সংকট। জ্বালানির উচ্চমূল্য নিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিল্পমালিকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়ালেও সরকার তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়নি। বিশেষ করে কর্মসংস্থা

জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও বিশ্ববাজারের অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশের অভ্যন্তরে এখনই জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর আভাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

প্রফেসর ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বিএনপি সরকার সবসময় সংকটকে শক্তিতে রূপান্তর করার চেষ্টা করেছে এবং তা সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে নয়। আন্তর্জাতিক মহলের পক্ষ থেকে ভর্তুকি কমিয়ে জ্বালানি মূল্য সমন্বয়ের নানা চাপ থাকলেও কৃষি খাতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা, কলকারখানা সচল রাখা এবং অসহনীয় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এখনই দাম বাড়ানোর পথে হাঁটার চিন্তা সরকারের নেই।

উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ১২ দিনের মাথায় একদিকে যেমন ভঙ্গুর অর্থনীতির উত্তরাধিকার পেয়েছে, অন্যদিকে যোগ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য সংকট। জ্বালানির উচ্চমূল্য নিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিল্পমালিকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়ালেও সরকার তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়নি। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলো সফলভাবে শুরু করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আসন্ন বাজেটে অর্থনীতির বহুমাত্রিক সংকট কাটাতে গতানুগতিক বা কেতাবি কোনো পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে না। বরং একটি সমন্বিত ও গণমুখী বাজেটের প্রতিফলন দেখা যাবে, যেখানে সাধারণ মানুষের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow