জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বেড়ে গেল তেলের দাম

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে রয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৯.৭৬ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের তুলনায় ০.৭ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) অপরিশোধিত তেলের দাম সামান্য কমে ১১১.২৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, Strait of Hormuz আংশিকভাবে বন্ধ থাকায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে। এই জলপথটি ইরাক, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল রপ্তানির প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সংঘাতের কারণে অনেক শিপিং কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেল শোধনাগারগুলো বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের উত্তর সাগর অঞ্চল থেকে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালানো হতে পারে। অন্যদিকে কূটনৈতিক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকা

জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বেড়ে গেল তেলের দাম

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে রয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৯.৭৬ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের তুলনায় ০.৭ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) অপরিশোধিত তেলের দাম সামান্য কমে ১১১.২৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, Strait of Hormuz আংশিকভাবে বন্ধ থাকায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে। এই জলপথটি ইরাক, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল রপ্তানির প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সংঘাতের কারণে অনেক শিপিং কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেল শোধনাগারগুলো বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের উত্তর সাগর অঞ্চল থেকে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালানো হতে পারে।

অন্যদিকে কূটনৈতিক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে সম্ভাব্য ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত অগ্রগতি হয়নি।

জ্বালানি উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট OPEC+ মে মাসে দৈনিক ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাস্তবে উৎপাদন বৃদ্ধি কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্ববাজারে সরবরাহ অনিশ্চয়তা এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় তেলের দামে অস্থিরতা আরও কিছুদিন বজায় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow