জয় ও পলকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছেন আদালত। রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের শুনানি নিয়ে বুধবার (২১ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন এবং সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারণ করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন, বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। এর আগে এ সংক্রান্ত বিষয়ে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের শুনানি নিয়ে গত ১৫ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারিক প্যানেল আদেশের জন্য আজ ২১ জানুয়ারি দিন ঠিক করা হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় আজ অভিযোগ গঠন করে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্

জয় ও পলকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছেন আদালত।

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের শুনানি নিয়ে বুধবার (২১ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন এবং সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারণ করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন, বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে এ সংক্রান্ত বিষয়ে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের শুনানি নিয়ে গত ১৫ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারিক প্যানেল আদেশের জন্য আজ ২১ জানুয়ারি দিন ঠিক করা হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় আজ অভিযোগ গঠন করে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজি এম এইচ তামিম, আব্দুস সাত্তার পালোয়ান ও প্রসিকিউটর মো. মামুনুর রশীদ। আসামি জুনাইদ আহমেদ পলকের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মো. লিটন আহমেদ। পলাতক সজিব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে জয়ের রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন মো. মুনজুর আলম।

এর আগে, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ২১ জানুয়ারি দিন ঠিক করা হয়েছে।

এই মামলার আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক। অপর আসামি জুনাইদ আহমেদ পলক গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। তাকে আজ কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আবেদনে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ আসত জয়ের কাছ থেকে। সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতেন পলক। অভিযোগের বিরোধিতা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

এসব অভিযোগের সঙ্গে জয়-পলকের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করা হয়। এ জন্য এ মামলায় চার্জ গঠন না করাসহ তাদের অব্যাহতির আবেদন করেন দুই আইনজীবী।

জয় পলাতক থাকায় তার পক্ষে গত ডিসেম্বরে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে মো. মুনজুর আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি আজ প্রথমবারের মতো ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হন। তিনি এ মামলা থেকে জয়ের অব্যাহতির আবেদন উপস্থাপনের জন্য সময় প্রার্থনা করেন।

গত ৪ ডিসেম্বর জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই দিনে জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আর পলককে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়।

ট্রাইব্যুনালে জয় ও পলকের মামলা একসঙ্গে চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এরপর ১০ ডিসেম্বর সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাজির হওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে তিনি উপস্থিত না হওয়ায় ১৭ ডিসেম্বর তাকে পলাতক আসামি হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় খরচে (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী নিয়োগ করা হয়।

এফএইচ/এসএনআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow