জয়পুরহাটে কনকনে ঠান্ডায় জবুথবু সাধারণ মানুষ

উত্তরের হিমেল হাওয়ায় হাড় কাঁপানো কনকনে ঠান্ডার পাশাপাশি শিশির বৃষ্টিতে জবুথবু হয়ে পড়েছে জয়পুরহাট জেলার সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। স্থানীয় বদলগাছী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে শনিবার সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জয়পুরহাট শহরের রেলওয়ে হকার্স মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, ছিন্নমূল মানুষেরা কম দামের গরম কাপড় কিনছেন তাদের সাধ্যমত। প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে শহরের অনেক দোকান বন্ধ। শহরে লোক চলাচল একেবারেই কমে গেছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে কেউ বের হচ্ছেন না। অনেকে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন। জেলা হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ সরদার রাশেদ মোবারক জানান, ঠান্ডা জনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ভির বেশি দেখা যাচ্ছে বলে জানান তিনি। জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আব্দুল করিম জানান, জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় শীতার্ত মানুষের জন্য সরকারি ভাবে বরাদ্দকৃত ৩০ লাখ টাকা দিয়ে ১০ হাজার কম্বল কেনা হয়েছে।। যা উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হচ্ছে । এ ছাড়াও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাওয়া সাড়ে ৭ হাজার কম্বলের বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে

জয়পুরহাটে কনকনে ঠান্ডায় জবুথবু সাধারণ মানুষ

উত্তরের হিমেল হাওয়ায় হাড় কাঁপানো কনকনে ঠান্ডার পাশাপাশি শিশির বৃষ্টিতে জবুথবু হয়ে পড়েছে জয়পুরহাট জেলার সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ।

স্থানীয় বদলগাছী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে শনিবার সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জয়পুরহাট শহরের রেলওয়ে হকার্স মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, ছিন্নমূল মানুষেরা কম দামের গরম কাপড় কিনছেন তাদের সাধ্যমত। প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে শহরের অনেক দোকান বন্ধ। শহরে লোক চলাচল একেবারেই কমে গেছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে কেউ বের হচ্ছেন না। অনেকে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন। জেলা হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ সরদার রাশেদ মোবারক জানান, ঠান্ডা জনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ভির বেশি দেখা যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আব্দুল করিম জানান, জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় শীতার্ত মানুষের জন্য সরকারি ভাবে বরাদ্দকৃত ৩০ লাখ টাকা দিয়ে ১০ হাজার কম্বল কেনা হয়েছে।। যা উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হচ্ছে । এ ছাড়াও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাওয়া সাড়ে ৭ হাজার কম্বলের বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি। অপরদিকে, বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি জয়পুরহাট ইউনিটসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে ।

রেড ক্রিসেন্টে সোসাইটি জয়পুরহাট ইউনিটের সহসভাপতি মতিয়র রহমান বলেন, জেলার পাঁচ উপজেলায় শীতার্ত মানুষের তালিকা করে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও বিজিবি ২০ ব্যাটালিয়ন তিন শতাধিক কম্বল বিতরণ করে এবং স্থানীয় স্বনামধন্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা "জাকস ফাউন্ডেশন " জেআরডিএম, এ্যাহেড সোস্যাল অর্গানাইজেশন, উপমা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, এনআরডিএস ও আউসগাড়া উন্নয়ন সংস্থা জেলা সদরের বিভিন্ন স্থানে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে বলে জানা গেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow