জয়পুরহাটে কিশোরী ধর্ষণের দায়ে সেনা সদস্যের যাবজ্জীবন
জয়পুরহাটে এক শিশুকে ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলায় সেরাতুল মুসতাকিন ওরফে রনি (২৬) নামে এক সেনা সদস্যকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সেরাতুল মুসতাকিন রনি জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের তেমারিয়া গ্রামের টিপু সুলতানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট রিনাত ফেরদৌসী রিনি রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। তার বাবা মালয়েশিয়া প্রবাসী হওয়ায় সে মায়ের সাথে আক্কেলপুর উপজেলার তেমারিয়া গ্রামে নানাবাড়িতে থাকত। ২০২২ সালের ১৪ জুন বিকেল ৩টার দিকে আসামির চাচার বাড়ির আমগাছের নিচে খেলছিল ওই কিশোরী। এ সময় আসামি রনি তাকে লজেন্স দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে একটি শয়নকক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনাটি কাউকে না জানাতে এবং প
জয়পুরহাটে এক শিশুকে ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলায় সেরাতুল মুসতাকিন ওরফে রনি (২৬) নামে এক সেনা সদস্যকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সেরাতুল মুসতাকিন রনি জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের তেমারিয়া গ্রামের টিপু সুলতানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট রিনাত ফেরদৌসী রিনি রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। তার বাবা মালয়েশিয়া প্রবাসী হওয়ায় সে মায়ের সাথে আক্কেলপুর উপজেলার তেমারিয়া গ্রামে নানাবাড়িতে থাকত। ২০২২ সালের ১৪ জুন বিকেল ৩টার দিকে আসামির চাচার বাড়ির আমগাছের নিচে খেলছিল ওই কিশোরী। এ সময় আসামি রনি তাকে লজেন্স দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে একটি শয়নকক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনাটি কাউকে না জানাতে এবং প্রকাশ করলে হত্যার হুমকিও দেয় সে।
পরের দিন কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি পরিবারের কাছে প্রকাশ পায়। পরে ভুক্তভোগীর নানা আসামির পরিবারকে বিষয়টি জানালে তারা ২ লাখ টাকা দিয়ে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর পরিবার আইনি আশ্রয়ের কথা বললে, আসামির পরিবার ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে এবং ছেলে চাকরি থেকে ছুটিতে আসলে বিয়ে রেজিস্ট্রি করা হবে বলে কালক্ষেপণ করতে থাকে।
পরবর্তীতে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই বছরের ৫ আগস্ট আদালতের নির্দেশে থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী কিশোরীর মা। দীর্ঘ শুনানি ও ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এ রায় প্রদান করেন।
What's Your Reaction?