জয়পুরহাটে চাঞ্চল্যকর মেট্রন হত্যা, ১৭ বছর পর দারোয়ানের যাবজ্জীবন

জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীনিবাসের মেট্রন (তত্ত্বাবধায়ক) সামছুন নাহার হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১৭ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। রায়ে কলেজের তৎকালীন দারোয়ান শহিদুল ইসলামকে (৫৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও আড়াই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. তসরুজ্জামান এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শহিদুল শহরের পশ্চিম দেবীপুর এলাকার ছলিম উদ্দিনের ছেলে। মামলার নথি অনুযায়ী, অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ২০০৯ সালের ২১ নভেম্বর রাতে সামছুন নাহারকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন দারোয়ান শহিদুল। মরদেহ গুম করতে পেট কেটে ছাত্রীনিবাসের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন তিনি। লুট করেন স্বর্ণালংকারও। ঘটনার চার দিন পর নিহতের ভাই ফেরদৌস আলম লুলু সদর থানায় মামলা করেন। গ্রেফতারের পর শহিদুল আদালতে দোষ স্বীকার করেন। তার তথ্যে নিখোঁজের ১৮ দিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে গলিত মরদেহ ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার হয়। ২০১০ সালের ৫ এপ্রিল এসআই রফিকুল ইসলাম আদালতে চার্জশিট দেন। রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) আহসান হাবীব চপল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত ক

জয়পুরহাটে চাঞ্চল্যকর মেট্রন হত্যা, ১৭ বছর পর দারোয়ানের যাবজ্জীবন

জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীনিবাসের মেট্রন (তত্ত্বাবধায়ক) সামছুন নাহার হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১৭ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। রায়ে কলেজের তৎকালীন দারোয়ান শহিদুল ইসলামকে (৫৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও আড়াই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. তসরুজ্জামান এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত শহিদুল শহরের পশ্চিম দেবীপুর এলাকার ছলিম উদ্দিনের ছেলে।

মামলার নথি অনুযায়ী, অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ২০০৯ সালের ২১ নভেম্বর রাতে সামছুন নাহারকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন দারোয়ান শহিদুল। মরদেহ গুম করতে পেট কেটে ছাত্রীনিবাসের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন তিনি। লুট করেন স্বর্ণালংকারও।

ঘটনার চার দিন পর নিহতের ভাই ফেরদৌস আলম লুলু সদর থানায় মামলা করেন। গ্রেফতারের পর শহিদুল আদালতে দোষ স্বীকার করেন। তার তথ্যে নিখোঁজের ১৮ দিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে গলিত মরদেহ ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার হয়। ২০১০ সালের ৫ এপ্রিল এসআই রফিকুল ইসলাম আদালতে চার্জশিট দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) আহসান হাবীব চপল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ৯ জনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আদালত এ রায় দেন।

জয়পুরহাট আদালত পরিদর্শক আবু বকর সিদ্দিক জানান, রায়ের পরপরই কড়া পাহারায় শহিদুলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মাহফুজ রহমান/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow