ঝিনাইদহ মেডিকেল কলেজ স্থাপনে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন
বহুল প্রতীক্ষিত ঝিনাইদহ মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণে শৈলকুপার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে প্রতিনিধি দলটি শৈলকুপা উপজেলার দুধসর আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকা, বড়দা ব্রিজ সংলগ্ন স্থানসহ সম্ভাব্য তিনটি স্থান সরেজমিনে ঘুরে দেখে। এ সময় মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জমির প্রাপ্যতা এবং পরিবেশগত উপযোগিতা যাচাই করা হয়। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বিশেষভাবে দুধসর আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০০ একর সরকারি খাস জমি পর্যবেক্ষণ করেন। তারা জানান, পর্যাপ্ত সরকারি জমি, উন্নত সড়ক যোগাযোগ, মহাসড়কের নিকটবর্তী অবস্থান এবং অনুকূল পরিবেশগত পরিস্থিতির কারণে এলাকাটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য সম্ভাবনাময় স্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পরিদর্শন দলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ড. মাজহারুল ইসলাম, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ড. দিলরুবা জেবা, আইনমন্ত্রীর একান্ত সহকারী সচিব (এপিএস) সোহেল রানা, ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক
বহুল প্রতীক্ষিত ঝিনাইদহ মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণে শৈলকুপার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
বুধবার (১০ জুন) দুপুরে প্রতিনিধি দলটি শৈলকুপা উপজেলার দুধসর আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকা, বড়দা ব্রিজ সংলগ্ন স্থানসহ সম্ভাব্য তিনটি স্থান সরেজমিনে ঘুরে দেখে। এ সময় মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জমির প্রাপ্যতা এবং পরিবেশগত উপযোগিতা যাচাই করা হয়।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বিশেষভাবে দুধসর আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০০ একর সরকারি খাস জমি পর্যবেক্ষণ করেন। তারা জানান, পর্যাপ্ত সরকারি জমি, উন্নত সড়ক যোগাযোগ, মহাসড়কের নিকটবর্তী অবস্থান এবং অনুকূল পরিবেশগত পরিস্থিতির কারণে এলাকাটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য সম্ভাবনাময় স্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পরিদর্শন দলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ড. মাজহারুল ইসলাম, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ড. দিলরুবা জেবা, আইনমন্ত্রীর একান্ত সহকারী সচিব (এপিএস) সোহেল রানা, ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এম. এ. মজিদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদ আল মামুন এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সম্ভাবনা ঘিরে শৈলকুপার সাধারণ মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে শুধু স্বাস্থ্যসেবার মানই উন্নত হবে না, একই সঙ্গে এ অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখায় ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত সময়ের মধ্যেই ঝিনাইদহ মেডিকেল কলেজ স্থাপনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।
What's Your Reaction?