ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর
ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাপ-পিরিচ প্রতিকের সাইফুল ইসলাম ফিরোজের দুটি নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের নিশ্চিন্তপুর ও হেলাই গ্রামের দুটি নির্বাচনী অফিসে হামলা চালানো হয়। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধারে এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানায়, রাত ৮টার দিকে ৫টি মোটরসাইকেলে আটজন নিশ্চিন্তপুর এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনী অফিসে হামলা চালায়। এ সময় তাদের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। অতর্কিত হামলা চালিয়ে অফিসের টেবিল, চেয়ার ও তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এরপর অফিসের মধ্যে একটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। কিন্তু সেটি অবিস্ফোরিত থাকে। পরে পুলিশ এসে একটি ককটেল উদ্ধার করে। অন্যদিকে আটজনের একটি দল পৌরসভার হেলাই গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনী অফিসে হামলা চালায়। অফিসে থাকা চেয়ারগুলো ভাঙচুর করে দ্রুত মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যায় তারা। এ সময় স্থানীয়রা দুইজনকে চিনে ফেলে। হেলাই গ্রাম
ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাপ-পিরিচ প্রতিকের সাইফুল ইসলাম ফিরোজের দুটি নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের নিশ্চিন্তপুর ও হেলাই গ্রামের দুটি নির্বাচনী অফিসে হামলা চালানো হয়। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধারে এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা জানায়, রাত ৮টার দিকে ৫টি মোটরসাইকেলে আটজন নিশ্চিন্তপুর এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনী অফিসে হামলা চালায়। এ সময় তাদের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। অতর্কিত হামলা চালিয়ে অফিসের টেবিল, চেয়ার ও তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এরপর অফিসের মধ্যে একটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। কিন্তু সেটি অবিস্ফোরিত থাকে। পরে পুলিশ এসে একটি ককটেল উদ্ধার করে।
অন্যদিকে আটজনের একটি দল পৌরসভার হেলাই গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনী অফিসে হামলা চালায়। অফিসে থাকা চেয়ারগুলো ভাঙচুর করে দ্রুত মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যায় তারা। এ সময় স্থানীয়রা দুইজনকে চিনে ফেলে।
হেলাই গ্রামের স্থানীয় যুবক নুর ইসলাম বলেন, রাত ৮টার দিকে মতিয়ার ও মোশাররফসহ আমরা তিনজন কাপ-পিরিচ প্রতিকের নির্বাচনী অফিসে বসে ছিলাম। হঠাৎ ৪টি মোটরসাইকেলে আটজনের একটি দল এসে অফিসে ভাঙচুর করে। এদের মধ্যে ছয়জনকে চেনা গেছে। তারা ফয়লা গ্রামের শাওন, মুন্না, কাজল, সনি, ফারুক ও রনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, বৃহস্পতিবার ফুরসন্দি ও ঘোড়শাল ইউনিয়নে ছিলাম। হঠাৎ শুনি নিশ্চিন্তপুর ও হেলাই গ্রামের দুটি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। স্থানীয়রা তাদের চিনে ফেলেছে। প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত হবে। আমার সমর্থকরা সর্বোচ্চ ধৈর্য্যরে পরীক্ষা দিচ্ছে।
এ ব্যাপারে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী রাশেদ খানের মোবাইলে ফোন দিলে রিসিভ করেন রাকিব হোসেন নামে এক ব্যক্তি। তিনি নিজেকে পিএস পরিচয় দেন। তিনি বলেন, ১০ মিনিট পরে ফোন দিয়ে কথা বলিয়ে দেওয়া যাবে। তিনি ব্যস্ত আছেন।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের দুটি অফিসে কেউ না থাকায় ভাঙচুর করেছে। এছাড়া একটি অফিসের মধ্য থেকে কালো টেপ দিয়ে মোড়ানো একটি জর্দার কৌটা উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি ককটেল কিনা পরীক্ষার পর বলা যাবে। খবর শোনা মাত্রই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অফিস দুটি পরিদর্শন করেছেন।
What's Your Reaction?