ঝড়ে পুলিশ প্লাজার গ্লাস ভেঙে পড়লো সড়কে

বগুড়া শহরের নবাববাড়ি মোড়ে নবনির্মিত বহুতল বাণিজ্যিক ভবন পুলিশ প্লাজার নবম তলার গ্লাস ঝড়ে ভেঙে রাস্তার ওপর পড়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বিশাল আকারের গ্লাসগুলো ওপর থেকে ব্যস্ততম সড়কের ওপর এভাবে পড়ায় পথচারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল সোয়া ৯টার দিকে প্রচণ্ড বাতাসের মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টার দিকে বগুড়া শহরের ওপর দিয়ে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এর কিছুক্ষণ পরই পুলিশ প্লাজার নবম তলা থেকে বিশালাকার গ্লাস ভেঙে সরাসরি নিচের প্রধান সড়কের ওপর পড়ে। সে সময় রাস্তায় যানবাহন ও পথচারী কম থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে রাস্তা থেকে কাচের টুকরো সরিয়ে নেন। দীর্ঘ সময় এই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শহরের রুচিতা হোটেলের রাঁধুনি গণেশ বলেন, ঝড়-বাতাসের কারণে ওপর থেকে গ্লাসগুলো উড়ে এসে আশপাশে পড়তে থাকে। ভাগ্য ভালো ওই সময় যানবাহন কম ছিল, নয়তো মানুষ মারা যেত বা বড় ক্ষতি হতো। ভবনটির নিরাপত্তা ও কাজের মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ

ঝড়ে পুলিশ প্লাজার গ্লাস ভেঙে পড়লো সড়কে

বগুড়া শহরের নবাববাড়ি মোড়ে নবনির্মিত বহুতল বাণিজ্যিক ভবন পুলিশ প্লাজার নবম তলার গ্লাস ঝড়ে ভেঙে রাস্তার ওপর পড়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বিশাল আকারের গ্লাসগুলো ওপর থেকে ব্যস্ততম সড়কের ওপর এভাবে পড়ায় পথচারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল সোয়া ৯টার দিকে প্রচণ্ড বাতাসের মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টার দিকে বগুড়া শহরের ওপর দিয়ে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এর কিছুক্ষণ পরই পুলিশ প্লাজার নবম তলা থেকে বিশালাকার গ্লাস ভেঙে সরাসরি নিচের প্রধান সড়কের ওপর পড়ে। সে সময় রাস্তায় যানবাহন ও পথচারী কম থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে রাস্তা থেকে কাচের টুকরো সরিয়ে নেন। দীর্ঘ সময় এই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।

ঝড়ে পুলিশ প্লাজার গ্লাস ভেঙে পড়লো সড়কে

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শহরের রুচিতা হোটেলের রাঁধুনি গণেশ বলেন, ঝড়-বাতাসের কারণে ওপর থেকে গ্লাসগুলো উড়ে এসে আশপাশে পড়তে থাকে। ভাগ্য ভালো ওই সময় যানবাহন কম ছিল, নয়তো মানুষ মারা যেত বা বড় ক্ষতি হতো।

ভবনটির নিরাপত্তা ও কাজের মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। আসাদ নামের এক পথচারী বলেন, এখানে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই, তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা ভীষণ বিপজ্জনক। কখন মাথার ওপর কী পড়ে বলা মুশকিল। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া দরকার।

ফিরোজ নামের আরেক পথচারী জানান, ঘটনার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে কাচ সরিয়ে নিলেও পুরো বিষয়টি সবার মনে আতঙ্ক তৈরি করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ প্লাজার বেশ কিছু ব্যবসায়ী বলেন, মার্কেটের কাজগুলো অত্যন্ত নিম্ন মানের হওয়ায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিষয়গুলো কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখা উচিত।

ঝড়ে পুলিশ প্লাজার গ্লাস ভেঙে পড়লো সড়কে

পুলিশ প্লাজার ম্যানেজা রাফিউল জানান, সার্কিট হাউজের পাশে নবম তলার কাজ চলছে। সেই পাশে ফাঁকা থাকায় বাতাস ঢুকে পূর্ব পাশের গ্লাসের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

এদিকে, বাণিজ্যিক এ ভবনের গ্লাস ভেঙে পড়ার পেছনে নিম্নমানের কাজ হয়েছে কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। তবে কাজের মান নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ। পুলিশ সুপার বলেন, ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় এই ঘটনা ঘটেছে। বাকি ঝুঁকিপূর্ণ গ্লাসগুলো আমরা সরিয়ে ফেলছি, তাই এখন আর কোনো ঝামেলার কারণ নেই। তবে ঢাকাতেও কিছুদিন আগে একটি ভবনের টেম্পার গ্লাস ভেঙে পড়েছিল। আবহাওয়ার কারণে এমনটি হতে পারে। আর কাজের মান নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের ইনকোয়ারি (তদন্ত) টিম তা দেখবে। বিষয়টি পুলিশ হেডকোয়ার্টারকে জানানো হয়েছে, তারা পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।

উল্লেখ্য, উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ ও সর্বাধুনিক শপিংমল হিসেবে ২০২৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর শহরের নবাববাড়ি মোড়ে বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের এ পুলিশ প্লাজার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছিল। ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮২৬ বর্গফুট আয়তন এবং ১৪২ ফুট উচ্চতার ১০ তলা বিশিষ্ট এ ভবনে ২১৮টি দোকান রয়েছে। উদ্বোধনের আড়াই বছরের মাথায় ঝড়ে ভবনের গ্লাস ভেঙে পড়ার এ ঘটনায় শহরবাসীর মধ্যে বহুতল ভবনটির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এল.বি/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow