টকশোসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জুলাইবিরোধী অবস্থান নেওয়া হচ্ছে: আখতার হোসেন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার বিরুদ্ধে নানা কৌশলে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা চলছে। কেউ চিত্রনায়িকা, কেউ মডেল, আবার কেউ সিনিয়র সাংবাদিকের পরিচয়ে টকশোসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এমন বক্তব্য দিচ্ছেন, যা জুলাইয়ের বিপক্ষে জনমত তৈরির প্রচেষ্টা। বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের আইডিবি মিলনায়তনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। সরকারের কাছে অতিদ্রুত গণভোটের রায় মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করার দাবি জানিয়ে আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের মানুষেরা আর রক্তপাত দেখতে চায় না। তারা একটা গণতান্ত্রিক উপায়ের মধ্যদিয়ে রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার, রূপান্তর দেখতে চায়। আখতার হোসেন বলেন, সরকারদলীয় নেতারা সংসদে দাবি করেছেন, গণভোটের চারটি প্রশ্নের মধ্যে সাড়ে তিনটি তারা মেনে নিয়েছেন, বাকি আধাটি মানেননি। তবে জনগণের প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার চারটি প্রশ্নের পক্ষেই রায় দিয়েছেন। তাই জনগণের রায়ের বাইরে গিয়ে কোনো অংশ বাস্তবায়ন না করার সুযোগ নেই। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, রাষ্ট
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার বিরুদ্ধে নানা কৌশলে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা চলছে। কেউ চিত্রনায়িকা, কেউ মডেল, আবার কেউ সিনিয়র সাংবাদিকের পরিচয়ে টকশোসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এমন বক্তব্য দিচ্ছেন, যা জুলাইয়ের বিপক্ষে জনমত তৈরির প্রচেষ্টা।
বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের আইডিবি মিলনায়তনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।
সরকারের কাছে অতিদ্রুত গণভোটের রায় মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করার দাবি জানিয়ে আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের মানুষেরা আর রক্তপাত দেখতে চায় না। তারা একটা গণতান্ত্রিক উপায়ের মধ্যদিয়ে রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার, রূপান্তর দেখতে চায়।
আখতার হোসেন বলেন, সরকারদলীয় নেতারা সংসদে দাবি করেছেন, গণভোটের চারটি প্রশ্নের মধ্যে সাড়ে তিনটি তারা মেনে নিয়েছেন, বাকি আধাটি মানেননি। তবে জনগণের প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার চারটি প্রশ্নের পক্ষেই রায় দিয়েছেন। তাই জনগণের রায়ের বাইরে গিয়ে কোনো অংশ বাস্তবায়ন না করার সুযোগ নেই।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো— আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠন, বিচার বিভাগে স্বাধীন ও স্বচ্ছ নিয়োগব্যবস্থা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নতুন ফর্মুলা এবং সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া— যদি বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে সরকার সংস্কারের কোন অংশ বাস্তবায়ন করতে চান?
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, সরকারকে বারবার আহ্বান জানানো হবে, কারণ বাংলাদেশের মানুষ আর রক্তপাত দেখতে চায় না। তারা গণতান্ত্রিক উপায়ে রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার ও রূপান্তর দেখতে চায়। এ লক্ষ্যে তিনি সরকারের প্রতি দ্রুত গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান জানান।
আরএএস/এমএএইচ/
What's Your Reaction?