টঙ্গীতে মধ্যরাতে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে হাজীর মাজার বস্তি এলাকায় মধ্যরাতে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রোববার (১৫ মার্চ) রাত পৌনে ১২টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদারের নেতৃত্বে এ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশসহ র‌্যাব, বিজিবি, সিআইডি, পিবিআইসহ পুলিশের একাধিক সংস্থা অংশ নেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বস্তির বিভিন্ন গলি, বাসাবাড়ি ও সন্দেহভাজন স্থানে তল্লাশি চালান। অভিযান চলাকালে বেশজনকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, হাজীর মাজার বস্তি দীর্ঘদিন ধরে দেশের অন্যতম বড় মাদক কেনাবেচার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, এখানে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদকদ্রব্য কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে রয়েছে হেরোইন, গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য। স্থানীয়দের দাবি, এই বস্তিকে ঘিরে একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। এখান থেকে গাজীপুর, টঙ্গীসহ রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহ করা হয় বলে ধারণা করা হয়। ফলে এলাকাটিকে অনেকেই মাদকের ‘পাইকারি বাজার

টঙ্গীতে মধ্যরাতে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে হাজীর মাজার বস্তি এলাকায় মধ্যরাতে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রোববার (১৫ মার্চ) রাত পৌনে ১২টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদারের নেতৃত্বে এ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশসহ র‌্যাব, বিজিবি, সিআইডি, পিবিআইসহ পুলিশের একাধিক সংস্থা অংশ নেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বস্তির বিভিন্ন গলি, বাসাবাড়ি ও সন্দেহভাজন স্থানে তল্লাশি চালান। অভিযান চলাকালে বেশজনকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, হাজীর মাজার বস্তি দীর্ঘদিন ধরে দেশের অন্যতম বড় মাদক কেনাবেচার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

অভিযোগ রয়েছে, এখানে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদকদ্রব্য কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে রয়েছে হেরোইন, গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য।

স্থানীয়দের দাবি, এই বস্তিকে ঘিরে একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। এখান থেকে গাজীপুর, টঙ্গীসহ রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহ করা হয় বলে ধারণা করা হয়। ফলে এলাকাটিকে অনেকেই মাদকের ‘পাইকারি বাজার’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন।

কিছুদিন পরপর ওই এলাকায় পুলিশ বিশেষ অভিযান চালালেও মাদক কারবার কোনোমতেই বন্ধ হচ্ছিল না।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার বলেন, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এলাকায় মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, অভিযানে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অভিযান শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

মো. আমিনুল ইসলাম/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow