টাঙ্গাইলে সড়কের পাশ থেকে তরুণের মরদেহ উদ্ধার
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের একদিন পর সড়কের পাশ থেকে জিহাদ হোসেন আসিফ (১৮) নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার সড়কের গাড়াইল এলাকা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আসিফ টাঙ্গাইল সদরের চর পাতুলী কচুয়াডাঙ্গা এলাকার মনোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি হাজী আবুল হোসেন ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের (হাবিট) ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে মুরগি বিক্রির জন্য পুটিয়াজানি হাটে যান আসিফ। সেখানে চাচাতো ভাই তামিমকে কাজের কথা বলে চলে আসে আসিফ। তারপর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। রাত ৮টা পর্যন্ত তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা থানায় যোগাযোগ করেন। পরে শনিবার সকালে স্থানীয়রা গাড়াইল আন্ডারপাস এলাকায় একটি ডোবায় মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আব্দুল্লাহ আল নো
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের একদিন পর সড়কের পাশ থেকে জিহাদ হোসেন আসিফ (১৮) নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার সড়কের গাড়াইল এলাকা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আসিফ টাঙ্গাইল সদরের চর পাতুলী কচুয়াডাঙ্গা এলাকার মনোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি হাজী আবুল হোসেন ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের (হাবিট) ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে মুরগি বিক্রির জন্য পুটিয়াজানি হাটে যান আসিফ। সেখানে চাচাতো ভাই তামিমকে কাজের কথা বলে চলে আসে আসিফ। তারপর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। রাত ৮টা পর্যন্ত তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা থানায় যোগাযোগ করেন।
পরে শনিবার সকালে স্থানীয়রা গাড়াইল আন্ডারপাস এলাকায় একটি ডোবায় মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আব্দুল্লাহ আল নোমান/কেজে/এএসএম
What's Your Reaction?