টাঙ্গাইলে ১৫ শ্রমিকের মৃত্যুতে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় নিসচা

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাকে উল্টে ১৫ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করেছে সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)। সংগঠনটি বলেছে, ঈদ সামনে রেখে জীবিকার তাগিদে ঘরে ফেরা মানুষদের জীবন বারবার সড়কে ঝরে পড়ছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় সংগঠনটি। সোমবার (২৫ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নিসচা মহাসচিব লিটন এরশাদের বরাত দিয়ে বলা হয়, প্রতিবছর ঈদযাত্রা ঘিরে সড়কে অতিরিক্ত গতি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রী পরিবহন এবং দুর্বল নজরদারির কারণে প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও বাস্তবে কেন মৃত্যুর মিছিল থামছে না—সেই প্রশ্নও তুলেছে সংগঠনটি। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সোমবার ভোর ৪টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের উপজেলার জোগারচর এলাকায় একটি ট্রাক খাদে পড়ে ১৫ শ্রমিক নিহত হন। তারা সবাই দিনমজুর ছিলেন। পরিবারের স্বপ্নপূরণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকে যাত্রা করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের প্রাণ ঝরে যায় সড়কে। সংগঠনটি প্রশ্ন তোলে, শ্রমিকদের এভাবে ট্রাকে বহন করা কতটা বৈধ ও মানবিক ছিল, চালক

টাঙ্গাইলে ১৫ শ্রমিকের মৃত্যুতে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় নিসচা

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাকে উল্টে ১৫ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করেছে সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)।

সংগঠনটি বলেছে, ঈদ সামনে রেখে জীবিকার তাগিদে ঘরে ফেরা মানুষদের জীবন বারবার সড়কে ঝরে পড়ছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় সংগঠনটি।

সোমবার (২৫ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নিসচা মহাসচিব লিটন এরশাদের বরাত দিয়ে বলা হয়, প্রতিবছর ঈদযাত্রা ঘিরে সড়কে অতিরিক্ত গতি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রী পরিবহন এবং দুর্বল নজরদারির কারণে প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও বাস্তবে কেন মৃত্যুর মিছিল থামছে না—সেই প্রশ্নও তুলেছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সোমবার ভোর ৪টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের উপজেলার জোগারচর এলাকায় একটি ট্রাক খাদে পড়ে ১৫ শ্রমিক নিহত হন। তারা সবাই দিনমজুর ছিলেন। পরিবারের স্বপ্নপূরণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকে যাত্রা করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের প্রাণ ঝরে যায় সড়কে।

সংগঠনটি প্রশ্ন তোলে, শ্রমিকদের এভাবে ট্রাকে বহন করা কতটা বৈধ ও মানবিক ছিল, চালক শারীরিকভাবে সুস্থ ছিলেন কি না এবং অতিরিক্ত গতি বা ক্লান্তি দুর্ঘটনার কারণ কি না তা তদন্ত করা প্রয়োজন।

সংগঠনটির মতে, শুধু চালক নয়, যানবাহনের মালিক ও সংশ্লিষ্ট পরিবহন ব্যবস্থাপনাকেও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণ যান চলাচল বন্ধ, কার্যকর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং আইন প্রয়োগে কঠোরতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এর পেছনে অব্যবস্থাপনা, অবহেলা ও দায়িত্বহীনতা কাজ করে। প্রতিটি দুর্ঘটনায় অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে, হারিয়ে যায় উপার্জনক্ষম মানুষ।

নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

এমইউ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow