টানা বৃষ্টিতে মহাখালী-বিমানবন্দর সড়কে তীব্র যানজট

টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে মহাখালী-বিমানবন্দর সড়কসহ বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মানুষজন। রোববার (১২ জুলাই) সকালে মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে কাকলী, বনানী, চেয়ারম্যানবাড়ী ও খিলক্ষেত হয়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, মহাখালী ও কাকলী মোড়ের কয়েকটি নিচু স্থানে পানি জমে রয়েছে। পানি এড়িয়ে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করায় একটির পর একটি বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল আটকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। কোথাও কোথাও যাত্রীদের বাস থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে যেতে দেখা যায়। মহাখালীতে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন রাকিব হাসান। তিনি যাবেন উত্তরা। কিন্তু সড়কে বাস থকলেও উঠছিলেন না। আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আধা ঘণ্টা ধরে রাস্তায় আছি। বাস কয়েকশ মিটার এগোতে ২০ থেকে ২৫ মিনিট লেগে যাচ্ছে। এ যানজট আর বৃষ্টিতে উত্তরা যাব কি না, তা ভাবছি।’ সকাল ১০টায় সাত রাস্তা থেকে গাজীপুর পরিবহনে উঠেন আনোয়ার ইসলাম। বেলা ১১টায় তিনি মহাখালী বাস পুলিশ বক্সের সামনে পৌঁছান। তিনি বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই এই

টানা বৃষ্টিতে মহাখালী-বিমানবন্দর সড়কে তীব্র যানজট

টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে মহাখালী-বিমানবন্দর সড়কসহ বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মানুষজন।

রোববার (১২ জুলাই) সকালে মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে কাকলী, বনানী, চেয়ারম্যানবাড়ী ও খিলক্ষেত হয়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাখালী ও কাকলী মোড়ের কয়েকটি নিচু স্থানে পানি জমে রয়েছে। পানি এড়িয়ে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করায় একটির পর একটি বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল আটকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। কোথাও কোথাও যাত্রীদের বাস থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে যেতে দেখা যায়।

টানা বৃষ্টিতে মহাখালী-বিমানবন্দর সড়কে তীব্র যানজট

মহাখালীতে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন রাকিব হাসান। তিনি যাবেন উত্তরা। কিন্তু সড়কে বাস থকলেও উঠছিলেন না। আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আধা ঘণ্টা ধরে রাস্তায় আছি। বাস কয়েকশ মিটার এগোতে ২০ থেকে ২৫ মিনিট লেগে যাচ্ছে। এ যানজট আর বৃষ্টিতে উত্তরা যাব কি না, তা ভাবছি।’

সকাল ১০টায় সাত রাস্তা থেকে গাজীপুর পরিবহনে উঠেন আনোয়ার ইসলাম। বেলা ১১টায় তিনি মহাখালী বাস পুলিশ বক্সের সামনে পৌঁছান। তিনি বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই এই সড়কের আসল চিত্র দেখা যায়। যানজটের সঙ্গে জলাবদ্ধতা যোগ হওয়ায় দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এখন গাজীপুর পৌঁছাতে কয়টা বাজে আল্লাহ ভালো জানে।’ 

ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালানো সাইফুল ইসলাম জানান, পানি জমে থাকায় কোথায় গর্ত আর কোথায় রাস্তা বোঝা যাচ্ছে না। খুব ধীরে চালাতে হচ্ছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।

বিমানবন্দরগামী বিআরটিসি বাসের চালক আবদুল কাদের আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘যেভাবে বৃষ্টি অব্যাহত আছে, সারাদিন যানজট আরও বাড়বে। এখন বাসে যাত্রী কম। এর মধ্যে যানজট থাকলে দিন শেষে পকেটে কিছুই থাকবে না ‘

এমএমএ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow