টিটন হত্যা ভিন্ন খাতে নিতে অপপ্রচার চালাচ্ছে পিচ্চি হেলাল : পরিবারের অভিযোগ
রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় খন্দকার নাইম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এবং নিজেকে রক্ষা করতে শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।
শনিবার (২ মে) দুপুরে সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই খন্দকার সাঈদ আক্তার রিপন।
লিখিত বক্তব্যে রিপন বলেন, গত ২৮ এপ্রিল রাতে আমার ছোট ভাই টিটনকে হত্যার পর প্রধান আসামি পিচ্চি হেলাল একটি অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে দিয়ে নানা ধরনের মিথ্যাচার করছে। সে আমাদের পারিবারিক কলহের যে দাবি করেছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট। তদন্ত কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত করতেই সে এই অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের ১১ ভাইবোনের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে। আমার বোন ও ভগ্নিপতি সানজিদুল হাসান ইমনের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। ইমন একজন উচ্চশিক্ষিত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। পিচ্চি হেলাল নিজের অপরাধ আড়াল করতে এসব অপতথ্য ছড়াচ্ছে।
হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কারণ তুলে ধরে রিপন বলেন, মোহাম্মদপুর, ধানম
রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় খন্দকার নাইম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এবং নিজেকে রক্ষা করতে শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।
শনিবার (২ মে) দুপুরে সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই খন্দকার সাঈদ আক্তার রিপন।
লিখিত বক্তব্যে রিপন বলেন, গত ২৮ এপ্রিল রাতে আমার ছোট ভাই টিটনকে হত্যার পর প্রধান আসামি পিচ্চি হেলাল একটি অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে দিয়ে নানা ধরনের মিথ্যাচার করছে। সে আমাদের পারিবারিক কলহের যে দাবি করেছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট। তদন্ত কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত করতেই সে এই অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের ১১ ভাইবোনের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে। আমার বোন ও ভগ্নিপতি সানজিদুল হাসান ইমনের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। ইমন একজন উচ্চশিক্ষিত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। পিচ্চি হেলাল নিজের অপরাধ আড়াল করতে এসব অপতথ্য ছড়াচ্ছে।
হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কারণ তুলে ধরে রিপন বলেন, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি ও নিউমার্কেট এলাকায় প্রভাব বিস্তার এবং আসন্ন কোরবানির পশুর হাটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে রাখতে টিটনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া কারাগারে থাকাকালীনও টিটনের সঙ্গে হেলালের বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল।
পিচ্চি হেলালের অডিও রেকর্ড ও মুঠোফোন ফরেনসিক করার চ্যালেঞ্জের জবাবে তিনি বলেন, আমি আমার ফোন ফরেনসিকে দিতে প্রস্তুত। তবে হেলালের ব্যবহৃত সব মোবাইল ফোন জব্দ করে ফরেনসিকে পাঠানো হোক। তাহলেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। ভয়ংকর এই খুনি ও চাঁদাবাজ কখনো নিজের অপরাধ স্বীকার করে না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, পিচ্চি হেলাল একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুরের সাবেক কমিশনার রাজু হত্যাসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় দেড় মাস আগে টিটন তার ভাইকে জানিয়েছিলেন, হেলাল তাকে হত্যার নীলনকশা করছে।
নিহত টিটনের পরিবার এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার এবং পিচ্চি হেলাল ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
একই সঙ্গে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, হেলালের দাপট ও অপপ্রচারের কারণে বিচার প্রক্রিয়া যেন প্রভাবিত না হয়।
কোরবানির পশুর হাটের ইজারা টিটন নিয়েছিলেন কি না—এমন প্রশ্নে রিপন বলেন, দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর বেরিয়ে এত দ্রুত কীভাবে কাগজপত্র প্রস্তুত করে ইজারা নেবেন? হয়তো অন্য কারও লাইসেন্সে ব্যবসা করতে চেয়েছিলেন। তবে বিষয়টি আমি নিশ্চিতভাবে জানি না।
টিটন কারাগার থেকে বের হয়ে কোথায় থাকতেন—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তিনি ধানমন্ডিতে থাকতেন। এর মধ্যে যশোর গ্রামের বাড়িতে গিয়ে মায়ের সঙ্গেও দেখা করেছিলেন।
পিচ্চি হেলাল আগেও হুমকি দিয়েছিল কি না জানতে চাইলে রিপন বলেন, থানায় যেতে চেয়েছিল, কিন্তু ঝুঁকির কারণে হয়তো যায়নি। সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি জানানোরও সুযোগ তার ছিল না।