টেকনাফে মাথায় গুলিবিদ্ধ আফনান আইসিইউতে সংকটাপন্ন অবস্থায়

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মাথায় গুলিবিদ্ধ হুজাইফা আফনান (৯) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। তার কোনো উন্নতি হয়নি। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে হাসপাতালে কান্নারত অবস্থায় এ তথ্য জানান মেয়েটির চাচা মো. শওকত আলী। শওকত জাগো নিউজকে বলেন, ‘আফনানের অবস্থা ওসমান হাদির চেয়ে গুরুতর। হাদির মাথায় গুলি লেগে বের হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার মাথায় গুলি রয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত গুলি বের করতে পারেনি। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে ডাক্তার এমন তথ্য জানিয়েছেন।’ ‘আমার ভাতিজি খুবই সংকটাপন্ন অবস্থায় প্রতিটি মুহূর্ত কাটাচ্ছে। কাল থেকে চিকিৎসা চলছে কিন্তু কোনো উন্নতি নাই। ডাক্তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। আমার ভাতিজির যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে এলাকার পরিস্থিতি খুবই নাজুক হবে,’ যোগ করেন তিনি। সেই সঙ্গে শওকত দেশের অভ্যন্তরে আশ্রিত সন্ত্রাসী বাহিনী নির্মূলের ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়া, এরকম আর কোনো ঘটনা যাতে দেশের অভ্যন্তরে না ঘটে সে জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। আফনানের বিষয়ে আইসিইউর দায়িত্বে থাকা সহকারী অধ্যাপ

টেকনাফে মাথায় গুলিবিদ্ধ আফনান আইসিইউতে সংকটাপন্ন অবস্থায়

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মাথায় গুলিবিদ্ধ হুজাইফা আফনান (৯) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। তার কোনো উন্নতি হয়নি।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে হাসপাতালে কান্নারত অবস্থায় এ তথ্য জানান মেয়েটির চাচা মো. শওকত আলী।

শওকত জাগো নিউজকে বলেন, ‘আফনানের অবস্থা ওসমান হাদির চেয়ে গুরুতর। হাদির মাথায় গুলি লেগে বের হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার মাথায় গুলি রয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত গুলি বের করতে পারেনি। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে ডাক্তার এমন তথ্য জানিয়েছেন।’

‘আমার ভাতিজি খুবই সংকটাপন্ন অবস্থায় প্রতিটি মুহূর্ত কাটাচ্ছে। কাল থেকে চিকিৎসা চলছে কিন্তু কোনো উন্নতি নাই। ডাক্তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। আমার ভাতিজির যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে এলাকার পরিস্থিতি খুবই নাজুক হবে,’ যোগ করেন তিনি।

টেকনাফে মাথায় গুলিবিদ্ধ আফনান আইসিইউতে সংকটাপন্ন অবস্থায়

সেই সঙ্গে শওকত দেশের অভ্যন্তরে আশ্রিত সন্ত্রাসী বাহিনী নির্মূলের ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়া, এরকম আর কোনো ঘটনা যাতে দেশের অভ্যন্তরে না ঘটে সে জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

আফনানের বিষয়ে আইসিইউর দায়িত্বে থাকা সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফুল আযম সাজ্জাদ বলেন, ‘ডাক্তাররা নিয়মিত ভিজিট করছেন। সে ইনটেনসিভ কেয়ারে আছে। অবস্থা মোটামুটি আগের মতোই। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বাকিটা আল্লাহ ভরসা।’

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী আফনান টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যাং ইউনিয়নের লম্বাবিল এলাকার জসিম উদ্দিনের মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার সীমান্তবর্তী হোয়াইক্যাং তেচ্ছা ব্রিজ এলাকায় মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ছোড়া গুলিতে শিশুটি আহত হয়। পরে চাচা শওকত তাকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসেন।

এমআরএএইচ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow