ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন অধ্যাদেশ বাতিল দাবি ব্যবসায়ীদের

ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ-২০২৬ বাতিলের জোর দাবি জানিয়েছেন ট্রাভেল খাতের শীর্ষ নেতা ও ব্যবসায়ীরা। তারা এই আইনকে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসার স্বার্থবিরোধী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। রোববার (৪ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের আটাব সদস্য কল্যাণ ঐক্যজোট আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। আটাব সদস্য কল্যাণ ঐক্যজোটের আহ্বায়ক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন টিপু, আটাবের সাবেক সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মাহবুব, সংগঠনের সদস্য সচিব মোহাম্মদ জুমান চৌধুরী, হাবের অর্থ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, আটাবের যুগ্মসচিব মাহমুদ ভুঁইয়া মানিক, আটাব সংস্কার পরিষদের আহ্বায়ক গোফরান চৌধুরী। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, নতুন অধ্যাদেশের একাধিক ধারা ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসাকে কার্যত অচল করে দেবে। এসব ধারা কার্যকর হলে দেশে প্রায় পাঁচ হাজার ট্রাভেল এজেন্সি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যার প্রভাব পড়বে হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের ওপর। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, অন্য কোনো ট্রাভেল এজেন্সি থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে অধিকাংশ এজেন্সির পক্ষে যাত্রীসেবা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে। কারণ দেশে নিবন্ধিত প্

ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন অধ্যাদেশ বাতিল দাবি ব্যবসায়ীদের

ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ-২০২৬ বাতিলের জোর দাবি জানিয়েছেন ট্রাভেল খাতের শীর্ষ নেতা ও ব্যবসায়ীরা। তারা এই আইনকে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসার স্বার্থবিরোধী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রোববার (৪ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের আটাব সদস্য কল্যাণ ঐক্যজোট আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

আটাব সদস্য কল্যাণ ঐক্যজোটের আহ্বায়ক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন টিপু, আটাবের সাবেক সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মাহবুব, সংগঠনের সদস্য সচিব মোহাম্মদ জুমান চৌধুরী, হাবের অর্থ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, আটাবের যুগ্মসচিব মাহমুদ ভুঁইয়া মানিক, আটাব সংস্কার পরিষদের আহ্বায়ক গোফরান চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, নতুন অধ্যাদেশের একাধিক ধারা ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসাকে কার্যত অচল করে দেবে। এসব ধারা কার্যকর হলে দেশে প্রায় পাঁচ হাজার ট্রাভেল এজেন্সি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যার প্রভাব পড়বে হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের ওপর।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, অন্য কোনো ট্রাভেল এজেন্সি থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে অধিকাংশ এজেন্সির পক্ষে যাত্রীসেবা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে। কারণ দেশে নিবন্ধিত প্রায় ৫ হাজার ৮০০ ট্রাভেল এজেন্সির মধ্যে মাত্র ৮০০টি আইয়াটা সদস্য। ফলে বাকিগুলো বার্ষিক বিক্রয় বিবরণী দেখাতে না পারায় লাইসেন্স নবায়নেও সংকটে পড়বে।

এছাড়া অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ১০ লাখ টাকা ব্যাংক গ্যারান্টির বিধানকে অযৌক্তিক ও অবাস্তব বলে মন্তব্য করেন বক্তারা। তাদের মতে, আর্থিক সক্ষমতার অভাবে হাজারো এজেন্সির পক্ষে এ শর্ত পূরণ করা সম্ভব নয়।

শুনানি ছাড়াই ট্রাভেল এজেন্সির লাইসেন্স স্থগিতের বিধান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, এতে হয়রানির সুযোগ তৈরি হবে। যেকোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের আগে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। পাশাপাশি শাস্তির মেয়াদ ও জরিমানা বৃদ্ধির প্রস্তাবেরও বিরোধিতা করা হয়।

আরএএস/এসএনআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow