ট্রাম্পকে যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পরামর্শ শীর্ষ মার্কিন জেনারেলের

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থেকে উত্তেজনা কমানোর পথ খুঁজতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনকে পরামর্শ দিয়েছেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জেনারেল কেইন আশঙ্কা করছেন, যুদ্ধ আরও বাড়ালে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও আসতে পারে। বরং ইরানের পাল্টা হামলা আরও বড় আকার নিতে পারে। তিনি মনে করেন, শুধু বিমান হামলা চালিয়ে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে নিতে বাধ্য করা কঠিন হতে পারে। সিএনএনের তিনটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, জেনারেল কেইন বিষয়টি নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তাদের মধ্যে সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স রয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাইয়ের শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর একটি পরিকল্পনা নিয়েও জেনারেল কেইনসহ কয়েকজন কর্মকর্তা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তাদের আশঙ্কা ছিল, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ ও মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালাত

ট্রাম্পকে যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পরামর্শ শীর্ষ মার্কিন জেনারেলের
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থেকে উত্তেজনা কমানোর পথ খুঁজতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনকে পরামর্শ দিয়েছেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জেনারেল কেইন আশঙ্কা করছেন, যুদ্ধ আরও বাড়ালে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও আসতে পারে। বরং ইরানের পাল্টা হামলা আরও বড় আকার নিতে পারে। তিনি মনে করেন, শুধু বিমান হামলা চালিয়ে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে নিতে বাধ্য করা কঠিন হতে পারে। সিএনএনের তিনটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, জেনারেল কেইন বিষয়টি নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তাদের মধ্যে সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স রয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাইয়ের শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর একটি পরিকল্পনা নিয়েও জেনারেল কেইনসহ কয়েকজন কর্মকর্তা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তাদের আশঙ্কা ছিল, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ ও মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালাতে পারে। উপসাগরীয় কয়েকটি দেশও এমন হামলার আশঙ্কা জানালে ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত ওই অভিযান পিছিয়ে দেন। এদিকে দীর্ঘ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র ও নির্ভুল হামলার অস্ত্রের মজুত কমে আসায় দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালানো কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। তবে জেনারেল কেইন একই সঙ্গে সতর্ক করেছেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক সক্ষমতায় বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। কিন্তু এতে যুদ্ধ আরও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও রয়েছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন মার্কিন প্রশাসন এমন একটি সমাধান খুঁজছে, যেটিকে ট্রাম্প রাজনৈতিক বিজয় হিসেবে তুলে ধরতে পারেন এবং একই সঙ্গে কূটনীতির পথও খোলা থাকে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর বিষয়ে একটি সম্ভাব্য চুক্তিও রয়েছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow