ট্রাম্পের জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব আদেশ সুপ্রিম কোর্টে বাতিল
অভিবাসীদের সন্তানদের জন্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার নির্বাহী আদেশ বাতিল করেছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। ৬-৩ ভোটে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখার পক্ষে রায় দিয়েছেন বিচারপতিরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস রায়টি লিখেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, যেসব বাবা-মা অবৈধভাবে বা সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তাদের সন্তানরাও মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী জন্মসূত্রে নাগরিক। ১৫০ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের বিধান জারি করা হয়েছিল। তবে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার কয়েক মাসের মধ্যে এটি বাতিল করেছিলেন। কিন্তু বেশিরভাগ বিচারক দেড়শ বছর পুরোনো আইন বাতিলের পক্ষে ছিলেন না। এছাড়া রাজনৈতিক অঙ্গনেও এটির জনপ্রিয়তা ছিল না। মূলত যেসব অবৈধ অভিবাসী কোনো অনুমতি ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং সন্তান জন্ম দেন, তাদের সন্তানদের যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়া ঠেকাতে এ উদ্যোগ নিয়েছিলেন ট্রাম্প। যেহেতু আদালত তার নির্বাহী আদেশ বাতিল করে দিয়েছে তাই অবৈধ অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ আটকাতে তিনি হয়ত নতুন কোনো উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন। রায়ে তিনি চতুর্দশ সংশোধনীর ইতিহাসের প্
অভিবাসীদের সন্তানদের জন্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার নির্বাহী আদেশ বাতিল করেছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। ৬-৩ ভোটে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখার পক্ষে রায় দিয়েছেন বিচারপতিরা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস রায়টি লিখেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, যেসব বাবা-মা অবৈধভাবে বা সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তাদের সন্তানরাও মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী জন্মসূত্রে নাগরিক।
১৫০ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের বিধান জারি করা হয়েছিল। তবে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার কয়েক মাসের মধ্যে এটি বাতিল করেছিলেন। কিন্তু বেশিরভাগ বিচারক দেড়শ বছর পুরোনো আইন বাতিলের পক্ষে ছিলেন না। এছাড়া রাজনৈতিক অঙ্গনেও এটির জনপ্রিয়তা ছিল না।
মূলত যেসব অবৈধ অভিবাসী কোনো অনুমতি ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং সন্তান জন্ম দেন, তাদের সন্তানদের যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়া ঠেকাতে এ উদ্যোগ নিয়েছিলেন ট্রাম্প। যেহেতু আদালত তার নির্বাহী আদেশ বাতিল করে দিয়েছে তাই অবৈধ অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ আটকাতে তিনি হয়ত নতুন কোনো উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন।
রায়ে তিনি চতুর্দশ সংশোধনীর ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনেছেন, যা গৃহযুদ্ধের পর আমেরিকার মাটিতে জন্মগ্রহণকারী, মুক্ত হওয়া ক্রীতদাসদের নাগরিকত্বের প্রশ্নটি মীমাংসা করার জন্য পাস করা হয়েছিল।
বিচারপতি রবার্টস লিখেছেন, নাগরিকত্ব তখন এবং এখনও অধিকারের অংশ। অর্থাৎ আমাদের রাজনৈতিক সম্প্রদায়ে অবাধে অংশগ্রহণের অধিকার। চতুর্দশ সংশোধনীর প্রণেতারা এর মাধ্যমে এ দেশে জন্মগ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য সুযোগ প্রসারিত করেছিলেন। আমরা আজ সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছি।
সূত্র : বিবিসি
What's Your Reaction?