ট্রাম্পের যে কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎপাদন হ্রাসকরণ নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনায় অগ্রগতি না আসায় দেশটির ওপর বড় ধরনের হামলার বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে। এরই মধ্যে খবর এলো ট্রাম্পের যে কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রস্তুত আছে।
ইরান ইস্যুতে বলতে গিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এমন মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রিসভার বৈঠকে পিট হেগসেথ বলেন, ইরানের পরমাণু বোমার অধিকারী হওয়া উচিত নয় এবং ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে সিদ্ধান্তই নেবেন, তা বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রস্তুত।
এদিকে ট্রাম্পের সর্বশেষ হুমকিতে তেহরান ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। তারা যে কোনো মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির একজন শীর্ষ উপদেষ্টা হুমকি দিয়েছেন, ইরান আক্রান্ত হলে তারা ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু করবে।
আলজাজির
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎপাদন হ্রাসকরণ নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনায় অগ্রগতি না আসায় দেশটির ওপর বড় ধরনের হামলার বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে। এরই মধ্যে খবর এলো ট্রাম্পের যে কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রস্তুত আছে।
ইরান ইস্যুতে বলতে গিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এমন মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রিসভার বৈঠকে পিট হেগসেথ বলেন, ইরানের পরমাণু বোমার অধিকারী হওয়া উচিত নয় এবং ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে সিদ্ধান্তই নেবেন, তা বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রস্তুত।
এদিকে ট্রাম্পের সর্বশেষ হুমকিতে তেহরান ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। তারা যে কোনো মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির একজন শীর্ষ উপদেষ্টা হুমকি দিয়েছেন, ইরান আক্রান্ত হলে তারা ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু করবে।
আলজাজিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে ইরানকে তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইলের সংখ্যা নির্দিষ্ট করতে হবে। অর্থাৎ একটি সংখ্যা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এর বেশি মিসাইল আর উৎপাদন করা যাবে না। অন্যদিকে ইউরেনিয়াম মজুতকরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, ট্রাম্পের এ দাবি নিয়ে বৃহস্পতিবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যোগাযোগ হচ্ছে; কিন্তু ইরান ট্রাম্পের এ দাবি মানবে কি না, এ নিয়ে সন্দেহ আছে। সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, দুদেশের মধ্যে এসব ইস্যু নিয়ে অনেক বড় পার্থক্য রয়েছে। মার্কিনিরা যে দাবি করছে, সেটি মানার ধারেকাছেও ইরান নেই। কিন্তু শঙ্কা হলো, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে। ফলে তাদের হামলার আশঙ্কা অনেক বেশি। তবে ইরানিরা জানিয়েছে, তারা ‘সম্মানের’ সঙ্গে আলোচনা করতে চায়। একই সঙ্গে লড়াইয়ের জন্যও প্রস্তুত।