ট্রাম্পের সমর্থনে হুতিদের ওপর হামলা চালাল সৌদি আরব
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন নিয়ে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাক্সিওস। সোমবার সৌদি বাহিনী হুতিদের নিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানার বিমানবন্দরে হামলা চালায়। এর কিছুক্ষণ পর হুতিরা সৌদি আরবের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। ২০২২ সালের পর এটিই দুই পক্ষের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক উত্তেজনা বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, হামলার আগে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে বিষয়টি জানান এবং তার সমর্থন চান। ট্রাম্পও ওই অভিযানে সমর্থন দেন। গত সপ্তাহে সৌদি আরব সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে। এরপর ওয়াশিংটনে সৌদি রাষ্ট্রদূত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে রুবিও সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এর একদিন পর ট্রাম্প ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যেও টেলিফোনে আলোচনা হয়। এই হামলার পেছনে সাম্প্রতিক একটি ঘটনার ভূমিকা রয়েছে। প্রায় ১০ দিন আগে ইরানের মাহান এয়ারের একটি বিমান সানায় অবতরণ করে। বিমানটিতে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন নিয়ে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাক্সিওস।
সোমবার সৌদি বাহিনী হুতিদের নিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানার বিমানবন্দরে হামলা চালায়। এর কিছুক্ষণ পর হুতিরা সৌদি আরবের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। ২০২২ সালের পর এটিই দুই পক্ষের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক উত্তেজনা বলে মনে করা হচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, হামলার আগে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে বিষয়টি জানান এবং তার সমর্থন চান। ট্রাম্পও ওই অভিযানে সমর্থন দেন।
গত সপ্তাহে সৌদি আরব সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে। এরপর ওয়াশিংটনে সৌদি রাষ্ট্রদূত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে রুবিও সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এর একদিন পর ট্রাম্প ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যেও টেলিফোনে আলোচনা হয়।
এই হামলার পেছনে সাম্প্রতিক একটি ঘটনার ভূমিকা রয়েছে। প্রায় ১০ দিন আগে ইরানের মাহান এয়ারের একটি বিমান সানায় অবতরণ করে। বিমানটিতে হুতিদের একটি প্রতিনিধিদল ছিল, যারা ইরান সফর শেষে ফিরছিল।
সৌদি আরবের অভিযোগ, ওই বিমানে হুতিদের জন্য অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ এবং সামরিক বিশেষজ্ঞ আনা হচ্ছিল। তবে হুতিরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সোমবার একই ধরনের আরেকটি ইরানি বিমান সানার দিকে গেলে সৌদি বাহিনী বিমানবন্দরে হামলা চালায়। এতে বিমানটি গন্তব্য পরিবর্তন করে আল হুদাইদাহ শহরে অবতরণ করে।
এর জবাবে হুতিরা সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আভা বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়ে। পাশাপাশি তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলে, সানার বিমানবন্দরের ওপর থেকে অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত সৌদি আকাশসীমায় বিমান চলাচল নিরাপদ থাকবে না।
What's Your Reaction?