ট্রেনে কাটা পড়ে রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

নাটোরের ট্রেন দুর্ঘটনায় কাটা পড়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী মাহদী হাসান মুরাদ মারা গেছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় আব্দুলপুর জংশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মুরাদের বাড়ি লালমনিরহাট। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। প্রত্যক্ষদর্শী ও সহযাত্রী সূত্রে জানা গেছে, তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনটি আব্দুলপুর জংশনে ইঞ্জিন পরিবর্তনের জন্য সাময়িকভাবে থামানো হয়। এ সময় মুরাদ প্ল্যাটফর্মের দোকানে না গিয়ে বিপরীত পাশে যাওয়ার জন্য রেললাইন দিয়ে হেঁটে পার হওয়ার চেষ্টা করেন। ঠিক তখন ইঞ্জিন পরিবর্তনের সময় চলমান ট্রেনের ইঞ্জিন তাকে ধাক্কা দেয়। এ সময় ট্রেনের চাকা তার এক পায়ের ওপর দিয়ে চলে যায় এবং শরীরের অন্যান্য অংশে গুরুতর আঘাত লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। একই ট্রেনে অন্য বগিতে ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের আরেক শিক্ষার্থী ইউসুফ। তিনি বলেন, আমরা একই ট্রেনে যাচ্ছিলাম। শুরুতে বুঝতে পারিনি যে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তি আমাদেরই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তার মরদেহ মুখ থুবড়ে পড়ে থাকায় চেনা কঠিন ছিল। পরে যখন জানতে পারি, তখন ট্

ট্রেনে কাটা পড়ে রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

নাটোরের ট্রেন দুর্ঘটনায় কাটা পড়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী মাহদী হাসান মুরাদ মারা গেছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় আব্দুলপুর জংশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মুরাদের বাড়ি লালমনিরহাট। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সহযাত্রী সূত্রে জানা গেছে, তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনটি আব্দুলপুর জংশনে ইঞ্জিন পরিবর্তনের জন্য সাময়িকভাবে থামানো হয়। এ সময় মুরাদ প্ল্যাটফর্মের দোকানে না গিয়ে বিপরীত পাশে যাওয়ার জন্য রেললাইন দিয়ে হেঁটে পার হওয়ার চেষ্টা করেন। ঠিক তখন ইঞ্জিন পরিবর্তনের সময় চলমান ট্রেনের ইঞ্জিন তাকে ধাক্কা দেয়। এ সময় ট্রেনের চাকা তার এক পায়ের ওপর দিয়ে চলে যায় এবং শরীরের অন্যান্য অংশে গুরুতর আঘাত লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

একই ট্রেনে অন্য বগিতে ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের আরেক শিক্ষার্থী ইউসুফ।

তিনি বলেন, আমরা একই ট্রেনে যাচ্ছিলাম। শুরুতে বুঝতে পারিনি যে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তি আমাদেরই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তার মরদেহ মুখ থুবড়ে পড়ে থাকায় চেনা কঠিন ছিল। পরে যখন জানতে পারি, তখন ট্রেন ইতোমধ্যে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ফলে আমি ট্রেনে উঠে পড়ায় সেখানে থাকতে পারিনি। তবে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আর কেউ ছিল কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত হতে পারিনি। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, রেলওয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনো সহযোগিতা আমরা দেখিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, আমরা এ দুর্ঘটনার বিষয়টি শুনেছি। বিভাগের সভাপতির সঙ্গেও কথা হয়েছে। আমরা নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।

মনির হোসেন মাহিন/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow