ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির শেষ দিন আজ
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রেলওয়ের অগ্রিম টিকিট বিক্রির নির্ধারিত কার্যক্রমের শেষ দিন আজ সোমবার (৯ মার্চ)। আজ পাওয়া যাচ্ছে আগামী ১৯ মার্চের আন্তনগর ট্রেনের টিকিট। রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, পূর্বাঞ্চলের আন্তনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে। সম্প্রতি রেল ভবনে ঈদযাত্রার প্রস্তুতিমূলক সভায় এই সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ৪টি আসন কিনতে পারবেন। অগ্রিম কেনা টিকিট ফেরত বা রিফান্ড করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া নন-এসি কোচের মোট আসনের ২৫ শতাংশ টিকিট ‘দাঁড়িয়ে যাওয়ার’ (স্ট্যান্ডিং) জন্য বরাদ্দ থাকবে, যা যাত্রার দিন শুরুর স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে। গত ৩ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই অগ্রিম টিকিট বিক্রয় প্রক্রিয়ায় আজই নির্ধারিত সূচির শেষ দিন। এর আগে পর্যায়ক্রমে ১৩ থেকে ১৮ মার্চের টিকিট বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে। তবে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রির বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে রেল ভবন সূত্রে
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রেলওয়ের অগ্রিম টিকিট বিক্রির নির্ধারিত কার্যক্রমের শেষ দিন আজ সোমবার (৯ মার্চ)। আজ পাওয়া যাচ্ছে আগামী ১৯ মার্চের আন্তনগর ট্রেনের টিকিট।
রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, পূর্বাঞ্চলের আন্তনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে। সম্প্রতি রেল ভবনে ঈদযাত্রার প্রস্তুতিমূলক সভায় এই সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
নিয়ম অনুযায়ী একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ৪টি আসন কিনতে পারবেন। অগ্রিম কেনা টিকিট ফেরত বা রিফান্ড করার কোনো সুযোগ নেই।
এছাড়া নন-এসি কোচের মোট আসনের ২৫ শতাংশ টিকিট ‘দাঁড়িয়ে যাওয়ার’ (স্ট্যান্ডিং) জন্য বরাদ্দ থাকবে, যা যাত্রার দিন শুরুর স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
গত ৩ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই অগ্রিম টিকিট বিক্রয় প্রক্রিয়ায় আজই নির্ধারিত সূচির শেষ দিন। এর আগে পর্যায়ক্রমে ১৩ থেকে ১৮ মার্চের টিকিট বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে। তবে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রির বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে রেল ভবন সূত্রে জানা গেছে।
যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবং কালোবাজারি রোধে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে সাধারণ যাত্রীদের বিশেষ অনুরোধে আসনবিহীন ভ্রমণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক স্ট্যান্ডিং টিকিটের ব্যবস্থা রেখেছে রেল কর্তৃপক্ষ।
What's Your Reaction?