ট্রেনের নিচে শুয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে লাফ, অতঃপর...

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনের কাছে মেহেরুন নেছা পারুল নামে এক নারী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। আহত মেহেরুন নেছা পারুল (৩০) দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মৃত ছাবের আহম্মেদের মেয়ে। সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মেহেরুন নেছা পারুল গত রোববার সন্ধ্যায় সান্তাহার স্টেশনে এসে ট্রেনের নিচে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানে তিনি ব্যর্থ হন। রেলওয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় রাখে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তার বাড়ি দিনাজপুর জেলার হিলি ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। তাকে ট্রেনে তুলে দিলে বিরামপুর স্টেশন নেমে মায়ের বাড়িতে যাবে বলে তিনি পুলিশকে জানান।  তার কথা মতো সোমবার ভোরে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনে তুলে দিতে ট্রেনে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ট্রেন সান্তাহার স্টেশন থেকে ছেড়ে যেতেই পুলিশ সদস্যকে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে আবারও ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশের ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন মুমূর্ষু অবস্থা তাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সান্তাহা

ট্রেনের নিচে শুয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে লাফ, অতঃপর...

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনের কাছে মেহেরুন নেছা পারুল নামে এক নারী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।

সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

আহত মেহেরুন নেছা পারুল (৩০) দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মৃত ছাবের আহম্মেদের মেয়ে।

সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মেহেরুন নেছা পারুল গত রোববার সন্ধ্যায় সান্তাহার স্টেশনে এসে ট্রেনের নিচে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানে তিনি ব্যর্থ হন। রেলওয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় রাখে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তার বাড়ি দিনাজপুর জেলার হিলি ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। তাকে ট্রেনে তুলে দিলে বিরামপুর স্টেশন নেমে মায়ের বাড়িতে যাবে বলে তিনি পুলিশকে জানান। 

তার কথা মতো সোমবার ভোরে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনে তুলে দিতে ট্রেনে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ট্রেন সান্তাহার স্টেশন থেকে ছেড়ে যেতেই পুলিশ সদস্যকে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে আবারও ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশের ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন মুমূর্ষু অবস্থা তাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সান্তাহার রেলওয়ে থানার ওসি হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, মুমূর্ষু অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার মায়ের কাছে খবর পাঠিয়েছে পুলিশ। তিনি আসলে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow