ঠাকুরগাঁওয়ে বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব, ১৭ শিশু হাসপাতালে
ঠাকুরগাঁওয়ে দিন দিন বাড়ছে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব, যা স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৭ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৪৮ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১ জানুয়ারি থেকে সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে ৩ জনের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৭ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে আশার কথা হলো, আক্রান্তদের মধ্যে ৭ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং এখন পর্যন্ত জেলায় এই রোগে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার কার্যক্রম জোরদার করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনসহ এখন পর্যন্ত মোট ৪১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ল্যাব রিপোর্টের ভিত্তিতে আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা. মো. আনিছুর রহমান জান
ঠাকুরগাঁওয়ে দিন দিন বাড়ছে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব, যা স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৭ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
এ নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৪৮ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১ জানুয়ারি থেকে সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে ৩ জনের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৭ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে আশার কথা হলো, আক্রান্তদের মধ্যে ৭ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং এখন পর্যন্ত জেলায় এই রোগে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার কার্যক্রম জোরদার করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনসহ এখন পর্যন্ত মোট ৪১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ল্যাব রিপোর্টের ভিত্তিতে আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা. মো. আনিছুর রহমান জানান, জেলায় হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা টিকাদান কার্যক্রম সর্বোচ্চ জোরদার করেছি। বিশেষ করে যেসব শিশু এখনও নিয়মিত টিকার আওতায় আসেনি, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত টিকা নিশ্চিত করা হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা এ বিষয়ে কাজ করছেন।
What's Your Reaction?